
দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর উপকুলীয় এলাকার জেলেরা সরকারী নীতিমালা মেনে জীবিকার তাগিদে ধার কর্য করে সুন্দরবনে মাছ কাকড়া ধরতে গেছে।কিন্তু পিছু ছাড়ছে না বনের ভিতরে থাকা অস্ত্রধারী বনদস্যু আতঙ্ক।
বনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কাজল, মুন্না আর আলিম বাহিনী দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ জুড়ে। মাত্র কয়েক দিন হল জেলেরা বনের ভিতরে ঢুকেছে। এর মধ্যে ঘটতে শুরু করেছে অপহরণের ঘটনা। এক দিকে সুন্দরবনের হিংস্র বাঘ আর অন্য দিকে অস্ত্রধারী বনদস্যুদের মুক্তিপনের দাবীতে অপহরনের ঘটনাবলীতে জেলেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
সুন্দরবন থেকে ফিরে আসা জেলে রহমত গাজী বলেন, গোন (জোয়ার) চুক্তিতে বর্তমানে তিন বাহিনীকে চাঁদা দিতে হচ্ছে, না দিলে তারা অপহরণ করে ব্যাপক নির্যাতন করছে। এছাড়া সুন্দরবনের মধ্যে টহলরত আরো কিছু দ্বায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরকে টাকা দিতে হচ্ছে। আমরা দীর্ঘ ৩ মাস পর ধার কর্য করে বনে আসছি। এভাবে যদি তাদের টাকা দিতে হয় তাহলে আমাদের কোন লাভ হবে না।
সাতক্ষীরা রেন্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, কয়েকটি বনদস্যু বাহিনীর বিষয়ে আমরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কে জানিয়েছি। তাছাড়া বন বিভাগ, বিজিবি, কোষ্টগার্ড সহ অন্যান্য দ্বায়িত্বশীল সরকারী বাহিনীরা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে।