রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস’র উদ্বোধন সাতক্ষীরায় নারী ব্যবসায়ি বীথিকা সাধু হ ত্যা: আরো একজন গ্রে প্তা র শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উ ত্তো ল ন করায় একজনের কা রা দ ন্ড, ৫০ হাজার টাকা জ রি মা না সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালিত  সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ভু য়া সাংবাদিকদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে মর্যাদা! দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  সাতক্ষীরায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল সরঞ্জাম জ ব্দ দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সাতক্ষীরায় মহান মে দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কর্মসূচি পালন

মফস্বল সাংবাদিকদের অবহেলা…!

✍️দেশ টাইমস নিউজ ডেস্ক✅
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

প্রথম শ্রেণীর একটি জাতীয় দৈনিকে স্টাফ রিপোর্টারের বেতন প্রায় ৪০ হাজার। অথচ একজন জেলা প্রতিনিধিকে কাগজপত্রে স্টাফ রিপোর্টার মর্যাদা দিয়ে বেতন নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩০০০-৫০০০। এভাবেই প্রতারণা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশে মফস্বল সাংবাদিকেরা। ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা’ প্রবাদের মতোই বেতন-বৈষম্যের শিকার প্রায় সবকটি সংবাদপত্রে।

এই পরিমাণ অর্থে এক মাসের চাল কেনাও সম্ভব না। আবার বড় কোন ঘটনা হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে বাধ্য তারা। সন্ধ্যা ছয়টার পর নিউজ পাঠালে পত্রিকা অফিস ধরবে না। কোন কিছু মিস হলে চাকরি থাকবে না। অথচ সাংবাদিকদের চাঁদাবাজি, অবৈধ আয়ের প্রসঙ্গ আসলেই উপজেলা-জেলা প্রতিনিধিদের নাম একবাক্য বলা হয়ে থাকে।

এরপরও মফস্বল সাংবাদিকদের মোটরসাইকেলের চাকা ঘুরছে। রাজনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে। এটা মোটেও অস্বীকারের সুযোগের নাই। তবে গণমাধ্যম কর্মীদের চাঁদাবাজি বা অপরাধের সুযোগটা কারা দিচ্ছে। একজন উপজেলা প্রতিনিধির জন্য সর্বনিন্ম যৌক্তিক পরিমাণ বেতন নির্ধারণসহ মাস বুঝিয়ে দিলেই হয়।

এতে মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মীদের যেমন দায়বদ্ধতা বাড়বে। তেমনি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ কম। স্বাধীনতার এতোগুলো বছরে জাতীয় দৈনিকগুলোর ঢাকা অফিসে সাংবাদিকদের বেতন কাঠামো বা ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা নিয়ে চোর-পুলিশ খেলা চলছে। তবে মফস্বল সাংবাদিকদের যাচ্ছে তাই।

অথচ বাংলাদেশে দুর্নীতি, অন্যায়-অপরাধ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শুরুটাই মফস্বল বা গ্রামাঞ্চল হতে। ওয়ার্ড পর্যায়ের মেম্বার-চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে এমপি-মন্ত্রী, থানা পুলিশ, উপজেলার পিওন বা ইউএনও একটা অংশ অর্থকড়ি কামাতে ব্যস্ত।

এরপর হোমড়া-চোমড়া রাজনীতিবিদ। উল্টো পিরামিডের মতো দুর্নীতি আর অপরাধের মহাসম্মেলন রাজধানী ঢাকায়। প্রাথমিকভাবে এদের অপরাধ অনুসন্ধান শুরুটাও গ্রাম থেকে মফস্বলের সাংবাদিকেরাই করে থাকেন। আবার ঢাকার একজন সাংবাদিক ভূমিদস্যু, মাফিয়া, সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নিউজ করেও নিরাপদে থাকার সুযোগ পান। কারণ ২ কোটি মানুষের ঢাকায় কাকে কে চিনে। তবে মফস্বলে আড়ার হওয়ার সুযোগই নাই।

সেজন্য অনেকক্ষেত্রে মফস্বলের সাংবাদিকেরা ঢাকা অফিসের ক্রাইম বিট বা রাজনৈতিক বিটের সাংবাদিকদের তথ্য-প্রমাণ দিয়ে রিপোর্ট করাতে সহায়তা করেন এমনটাও অহরহ হচ্ছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন এমপির বিরুদ্ধে নিউজ গেলে আগে হামলা পরে চাঁদাবাজি বা মানহানির মামলা। পত্রিকা মালিক এমপি-মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন হলে নোটিশ ছাড়াই চাকরি নাই। প্রশাসনের বিরুদ্ধে গেলেও মামলা। পুলিশের বিরুদ্ধে যাওয়ার সুযোগ কম। তাহলে মফস্বলের ক্ষেত্রে দ্বৈতনীতি কেন? অন্তবর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যম সংস্কার করছে। সরকার প্রেস সেক্রেটারি এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি বাংলাদেশের শীর্ষ গণমাধ্যমে কাজ করেছেন বা নেতৃত্বস্থানীয় পর্যায়ে ছিলেন। তারা আশা করি মফস্বল সাংবাদিকদের বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিবেন। কারণ কমিটিতে যারা আছেন তাদের অনেকের নিজের গণমাধ্যমেই বেতন নিয়ে চোর-পুলিশ খেলা চলছে। সুতরাং তাদের দিয়ে আশার আলো দেখাই সময় নষ্ট।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!