শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অ ভি যা নে ৩ জ ল দ স্যু আ ট ক, অ স্ত্র উ দ্ধা র গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে তালায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু শ্যামনগরে ঐতিহাসিক ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে ১০ ফুট লম্বা একটি গাঁ জা গাছ জ ব্দ দেবহাটায় ভগ্নিপতি কর্তৃক মি থ্যা মা ম লা য় হ য় রা নি র শি কা র শ্যালকের সংবাদ সম্মেলন

দেবহাটার বহেরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষাকের প্রাইভেট বাণিজ্য  

✍️মীর খায়রুল আলম📝দেবহাটা প্রতিবেদক ☑️
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার বহেরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাইভেট বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনা।

জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয়টি উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে আসছে। কিন্তু অত্র বিদ্যালয়ের দুইজন সহকারী শিক্ষক মফিজুর রহমান এবং বিপ্লব কুমার ঘোষের প্রাইভেট বাণিজ্যে ছাত্রছাত্রী অভিভাবকদের অসহায় হয়ে পড়েছেন। একাধিক অভিভাবকের অভিযোগ ওই দুই শিক্ষক ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীকে জনপ্রতি মাসিক ১ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। এছাড়া বাড়িতে স্পেশাল পড়াতে গেলে জনপ্রতি দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। অভিযোগ আছে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার পূর্বে এবং ছুটিরপর চাকুরিরত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে চালানো হয় এই প্রাইভেট বাণিজ্য। এ কাজের জন্য বিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী বাড়ি ভাড়া নিয়ে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে এ বাণিজ্যে। এতে করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট এ পড়ানোর ফলে শ্রেণি কক্ষে নামমাত্র পাঠদান করেন ওই দুই শিক্ষক। যার কারণে বিষয় ভিত্তিক পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বহু সাধারণ শিক্ষার্থী। অপরদিকে এলাকার শিক্ষিত বেকাররা জানান, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নীতামালা অনুযায়ী কোচিং বা প্রাইভেট বাণিজ্য করা নিষেধ থাকলেও বিনাবাধায় এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু শিক্ষক। এতে করে আমরা শিক্ষিত বেকাররা বঞ্চিত হচ্ছি। সেই সাথে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মফিজুর রহমান জানান, আমি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পাঠদান করি। কোচিং বা এক সাথে অনেকগুলো শিক্ষার্থীকে পড়ায় না।

অপর শিক্ষক বিপ্লব কুমার ঘোষের কাছে জানতে চাইলে জানান, অনেক স্কুলেল শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়ায়। তাই আমিও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে স্কুলের পাশে একজনের বাসায় পড়ায়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ শাহজাহান আলী জানান, এধরণের অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানের সাথে কথা বলে বিষয়টি খোঁজ নিব।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!