
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ০২ নং কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন উদ্যোক্তা মোঃ কামরুজ্জামান।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জন্মনিবন্ধন সহ করোনার টিকা নিবন্ধন, পাসপোর্ট-ভিসা সহ যাবতীয় অনলাইন ভিত্তিক সেবা, সরকারি বিভিন্ন ফরম পুরন, অনলাইন বানিজ্যিক বিভিন্ন সেবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার হতে প্রদান করা হয়।
কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের বা ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা হিসেবে যোগদানের শুরু থেকে নিজের কর্মদক্ষতা দিয়ে উপজেলা, জেলা ছাড়িয়ে বিভাগীয় পর্যায়েও ভূয়সী প্রসংশিত ও পুরুস্কার জিতেছেন উদ্যোক্তা মোঃ কামরুজ্জামান।
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার হল তৃণমূল পর্যায়ে সরকার প্রদত্ত অনলাইন/ অফলাইন ও বানিজ্যিক ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা জনগনের দৌড়গোড়ায় পৌছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম।
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে স্বল্প খরচে অল্প সময়ে সেবা পৌছে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সরকারের এই লক্ষ্য সামনে রেখে ২০০৯ সালে পাইলট আকারে ৩০টি ইউপি নিয়ে যাত্রা শুরু করে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। যার মধ্যে জেলার ভিতর প্রথম ডিজিটাল সেন্টার হিসেবে কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ও অন্যতম।
যাত্রার শুরু থেকে উদ্যোক্তা মোঃ কামরুজ্জামান সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে প্রশংসিত হন। যার ফলশ্রুতিতে ২০১১ সালে সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার পুরুস্কার রৌপ্য পদক অর্জন করেন। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন ওয়েব পোর্টাল তৈরি করে বিভাগীয় পর্যায়ে পুরুস্কার পান। ২০১৮ সালে দেশসেরা উদ্যোক্তার সম্মাননা স্মারক পুরুস্কার অর্জন করেন। বর্তমানে ইমাম বাতায়নের ও এ্যাপেনটিনশীপ প্রোগ্রামের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
নামমাত্র মুল্যে ফি দিয়ে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার হতে যেকোনো সেবা নিচ্ছে ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইউনিক আইডি ও করোনার টিকা নিবন্ধনের জন্য জন্মসনদের অধিক চাহিদা থাকায় প্রায় দিনরাত সমান ভাবে কাজ করছে উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান। তাছাড়া সার্ভার জটিলতার কারনে হিমশিম খেতে হচ্ছে উদ্যোক্তা কামরুজ্জামানকে।