রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনে শিশু কিশোরদের অংশগ্রহণে সাতক্ষীরায় ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস’র উদ্বোধন সাতক্ষীরায় নারী ব্যবসায়ি বীথিকা সাধু হ ত্যা: আরো একজন গ্রে প্তা র শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে বালু উ ত্তো ল ন করায় একজনের কা রা দ ন্ড, ৫০ হাজার টাকা জ রি মা না সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মহান মে দিবস পালিত  সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ভু য়া সাংবাদিকদের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে মর্যাদা! দেবহাটায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা  সাতক্ষীরায় ৫ কোটি ৬২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ক্রিস্টাল মেথ আইস ও মোবাইল সরঞ্জাম জ ব্দ দেবহাটায় শ্রমিক দিবসে র‌্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ সাতক্ষীরায় মহান মে দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কর্মসূচি পালন

বদ্ধভূমি সংরক্ষণের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

✍️রঘুনাথ খাঁ🔏জেষ্ট প্রতিবেদক ☑️
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে ১৯৭১ সালের বধ্যভূমি সংরক্ষণের দাবীতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে। ’৭১ সালের বধ্যভ’মি স্মৃতি সংরক্ষন কমিটি সাতক্ষীরা শাখার আহবায়ক বিশিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকারের নেতৃত্বে বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী আরিফুর রহমান।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৭১ সালে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর পাশের্^ দীনেশ কর্মকারের জমিতে পাক হানাদার বাহিনী ও তার দোসররা স্কুলে আশ্রয় নেওয়া ভারতগামী শরনার্থীদের উপর অতর্কিত হামলা করে এবং কয়েকশত নারী পুরুষ ও শিশুদের কে নৃশংসভাবে হত্যা করে ও জখম করে মাটি চাপা দেয়। পরবর্তীতে এবং বর্তমানে যথাযথ উদ্যোগের অভাবে সেই স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি। যার ফলে বর্তমানে সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানটি কতিপয় ব্যক্তির দখলে চলে যায়। স্থানটির সাত শতক এখনও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিবছর জেলা প্রশাসন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা এবং সাধারণ মানুষ এখানে স্মৃতিচারণ, আলোবাতি প্রজ্জ্বলন সহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে আসছে।

অথচ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সমগ্র দেশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালিন সময়ে সংঘঠিত গণহত্যা/ গণকবর ও বধ্যভ’মি চিহ্নিতকরন ও সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ/ স্মৃতিসৌধ নির্মান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়েছে যে, উক্ত স্থানটি সরকারিভাবে অধিগ্রহণ করতঃ ১৯৭১ সালের গণকবর ও বধ্যভ’মি সংরক্ষণ এবং স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান করে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শণ ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হোক যা সাতক্ষীরাবাসির একান্ত দাবী। এ ছাড়া প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর জেলা প্রমাসন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিকদল, সাংস্কৃতিক সংগঠণ, মুক্তিযোদ্ধা এবং এলাকাবাসী এখানে স্মৃতিচারণ ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে আসছে।

স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষের একান্ত দাবি, যাহাতে দীনেশ কর্মকারের উক্ত স্থান ঝাউডাঙ্গা সহ অন্যান্য বধ্যভ’মি চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মান করা হোক।

স্মারকলিপি পেশকালে আরো উপস্থিত ছিলেন ’৭১ সালে বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি সাতক্ষীরা শাখার আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সুভাষ সরকার, সংগঠণের সদস্য সচিব বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাতক্ষীর্ াজেলা শাখার সম্পাদক অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিএম আব্দুর রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড, ইউনুছ আলী, দৈনিক পত্রদূতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লায়লা পারভিন সেঁজুতি, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, অ্যাড. খগেন্দ্রনাথ ঘোষ,অ্যাড. মনিরউদ্দিন, গণফোরাম নেতা আলী নূর খান বাবুল, জিএম জাহাঙ্গীর আলম, আসাদুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!