শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারের বিশেষ বরাদ্দের উন্নয়নের ছোয়ায় আলোকিত হবে সাতক্ষীরা-২ আসন গোপালগঞ্জে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন  তালার ফুলবাড়ী সেলুন দোকানের মোটরসাইকেল চু রি সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ দেবহাটায় ১,০৩৫ বোতল ফে ন্সি ডি ল স হ মা দ ক ব্যবসায়ি আ ট ক সরকারি সম্পদ নিজের সম্পদ মনে করে সংরক্ষণ করতে হবে: সাংসদ মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক জলবায়ু সাংবাদিকতায় ‘হেড ক্লাইমেট মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ ঘোষণা, ৩০ জুলাই পর্যন্ত সংবাদ ও ডকুমেন্টরি জমার আহ্বান সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সভাপতি হিসেবে এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের প্রথম সভা ফলোআপ: কালিগঞ্জে ঘের ব্যবসায়ি সঞ্জীব সরকার হ ত্যা! থানায় মা ম লা, গ্রে প্তা র -১ ডুমুরিয়ায় মাছের ঘেরে বি লী ন সড়ক, জন দূ র্ভো গ চরমে

আম্ফানের এক বছরেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি সাতক্ষীরার উপকুলের কয়েক লাখ মানুষ

আসাদুজ্জামান::
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ৩৩৪ বার পড়া হয়েছে

আগামীকাল ভয়াল ২০ মে। প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের দীর্ঘ এক বছর পার হলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকার কয়েক লাখ মানুষ। লবনাক্ততার তীব্রতায় কৃষিকাজ হয়না বিধায় তীব্র অভাবগ্রস্থ অধিকাংশ মানুষ। বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনের আতঙ্কে এখনও তটস্থ সবাই। যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। চিকিৎসা, সূপেয় পানি, স্যানিটেশনসহ বিভিন্ন সংকটে বিপর্যস্থ উপকুলীয় এলাকার এখনও লক্ষাধিক মানুষ।

জানা যায়, ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয় গোটা সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘর-বাড়ি ধ্বসে পড়ে ২ হাজারেরও বেশি। এখনো ডুবে আছে শতাধিক ঘর-বাড়ি। এতে মাছের ক্ষতি হয় ১শ’ ৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকার। কৃষিতে মোট ক্ষতি হয় ১৩৭ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার টাকার। এলজিইডি ও সড়ক বিভাগের ক্ষতি হয় কমপক্ষে ৩০ কি.মি.সড়ক। কাজ না থাকায় সেখানকার লোকজন বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন।

আম্ফানের এক বছর পার হলেও উপকুলীয় এলাকায় গৃহহীনের সংখ্যা এখনও দুই শতাধিক। বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর খুপড়ী ঘরে বসবাস তাদের।

আশাশুনি উপজেলার শুভদ্রকাটি গ্রামের আতাউর রহমান ও কুড়িকাউনিয়া গ্রামের আবু সালেহসহ উপকুলীয় এলাকা বাসীরা জানান, তাদের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। নেই চিকিৎসার ব্যবস্থা। সূপেয় পানির সংকট তীব্র। বেড়িবাঁধের অবস্থাও নাজুক। উপকূলীয় এলাকার এ সব মানুষ সরকারের কাছে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মাণের দাবি জানান।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসিম কুমার চক্রবর্তী জানান, প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়ের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার উপকুলীয় এলাকার মানুষ এখনও মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারেননি। আজও সেখানকার মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব রয়েছে। একই সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে বিচ্ছিন্ন। আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেঁড়িবাধ গুলো রয়েছে ভয়াবহ অবস্থায়। দু একটি জায়গায় সংস্কার করা হলেও অধিকাংশ জায়গায় রয়েছে ভয়াবহ ফাটল। যে কোন সময় প্রবল জোয়ারের চাপে তা আবারও ভেঙে বিস্তর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। তিনি টেকসই বেঁড়িবাধ নির্মানে এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল জানান, ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছিল এ অঞ্চলের বেড়িবাধ গুলোর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রানালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে অতিসত্বর ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাধ সংস্কারের। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, পানিউন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনীসহ জেলার সংশ্লিষ্ট সংস্থা অক্লান্ত পরিশ্রম করাই বেড়িবাধ বাঁধ গুলো প্রাথমিকভাবে সংস্কার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এসময় সাতক্ষীরা জেলাকে দূর্যোগ ক্ষতি গ্রস্ত জেলা ঘোষনার দাবী জানান।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!