রঘুনাথ খাঁ, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:
পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাযা ও দাফনে জামায়াত শিবিরের বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (০২ নভেম্বর ‘২৬) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের পাকাপুলের উপর এ কর্মসূচি পালিত হয়।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট কমাণ্ডের আয়োজনে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার শফি আহম্মেদ, দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, শ্যামনগরের আব্দুল বাওেশ, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল গফফার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমাণ্ডের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যাণার্জী, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কাশেম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল. জাসদ নেতা অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, গণফোরামের আলী নূর খান বাবুল, জাসদ নেতা হেলালুর রহমান হেলাল, সিপিবি’র আবুল হোসেন প্রমুখ।
বক্তরা বলেন, মানিক পশারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে একাত্তরের মানবতা বিরোধী মামলার বাদি। যে কারণে ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী দুই বছরের বেশি সময় তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার বোনের বাড়িতে আত্মগোপানে ছিলেন। সেখানেই গত ২৪ অক্টোবর তার মৃত্যু হয়। পরদিন রাতেপিরোজপুরের চিতলিয়া গ্রামে তার লাশ দাফন করতে গেলে জামায়াত শিবিরের লোকজন বাধা দেয়। খোড়া কবর ভরাট করা হয়। বাঁধা দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লাশ দাফনে। এমনকি তাকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা দেয় তারা।
বক্তারা আরো বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ চায়নি, যারা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের চায় না তারা দেশ ও জাতির শত্রু। তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশকে মৌলবাদি রাষ্ট্রে পরিণত করবে। বিপন্ন হবে এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। তাই মুক্তিযুদ্ধেও পরাজিত শক্তি জামায়াত শিবিরের বিরুদ্ধে আবারো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. মোস্তফা নূরুল আলম।










