ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। মঙ্গলবার রাত ১টা ২০ মিনিটে কাকিনাড়ার কাছে পুদুচেরির ইয়ানাম অঞ্চল দিয়ে এটি উপকূল অতিক্রম শুরু করে। ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার, যা সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরির কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সতর্কতার সাথে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী সময়ের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।










