দূরত্বের সংলাপ তোমার নাম উচ্চারণ করি না, তবু শব্দেরা জানে, ভোরের শিশিরে লুকানো থাকে এক নিঃশব্দ আহ্বান। তোমার ছোঁয়া পাই না, তবু হাওয়ার ভাঁজে আঙুল রেখে অনুভব করি—তুমিও কি ঠিক
তুমি এসেছিলে তুমি এসেছিলে এক সন্ধ্যার বাতাসে, আলতো কুয়াশা মেখে— একটি গোধূলির দীর্ঘশ্বাসে ভিজে, নরম আলোয় ছুঁয়ে দিলে আমার চোখের ভেতর প্রাচীন শঙ্খের মতো নিঃসঙ্গতা। আমি জানতাম না তখন— তোমার
রাত্রির ট্রেন আর অসীমের পথ রাতের ট্রেন যায়— কুয়াশার ভেতর, ঘুমের ভিতর, সমস্ত অনিদ্রা ছুঁয়ে যেমন চাঁদের আলো ঝরে পড়ে শূন্য মাঠে, যেমন শালিকের ডানা কেঁপে ওঠে বসন্তের হাওয়ায়। আমিও
ধোঁয়াটে বিকেল ও একলা মানুষ কোথাও কেউ নেই— শহরের ইট, কংক্রিট, আর অগণিত জানালার ভিতর একটা মুখও নেই যে তাকাবে ফিরে, একটা হাতও নেই যে ধরবে চুপিচুপি। আমি একা, কাঁচের
লোকারণ্যের কোলাহল থেকে বহু দূরে, আজ সুন্দরবনের নিভৃত জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম। সবুজের গভীরতা, নদীর মায়া, আর বনের নিঃশব্দ সঙ্গীত—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি। গাছের ফাঁক গলে সূর্যের আলো এসে পড়ছে
ভালোবাসার রঙ বদলায়, ভালোবাসার সংজ্ঞা বদলায়, কিন্তু কিছু সম্পর্কের ভালোবাসা সময়ের চেয়েও গভীর হয়ে থাকে। আমার প্রথম সন্তান, আমার একমাত্র মেয়ে, আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু—প্রিয়তা। সে-ই আমার জীবনের সবচেয়ে কাছের
ভালোবাসার সংজ্ঞা, এর আওতা ও পরিধি, এর আইন-কানুন, বিধি-বিধান—এসব মানুষ জানুক বা না-ই জানুক, তবুও ভালোবাসে। বর্ষায় হোক, হেমন্তে হোক কিংবা বসন্তে—হৃদয়ে প্রেম আসে, মানুষ প্রেমে পড়ে। তখন প্রতিটি হৃদয়
ক্যালেন্ডারের ফাগুন ক্যালেন্ডারে ফাগুন আসে তবু সে ফাগুন নয়, হাওয়ার গন্ধে আজও পোড়া পাতার ধূসরতা, বিলবোর্ডের তীব্র আলোয় থমকে থাকে চাঁদ, রাস্তা জুড়ে জেগে থাকে ক্লান্ত মানুষের ছায়া। কোনো হলুদ
ভুল বসন্ত! আমি যে বছর প্রথম প্রেমে পড়লাম, সেই বছর ক্যালেন্ডার ভুল করেছিল— বসন্ত শুরু হয়েছিল পঁচিশে ডিসেম্বরে, হাসনাহেনা ফুল তার স্বভাবেই হেসেছিলো, আর অবুঝ প্রেমিক আমি ভেবেছিলাম, এই ঋতু
প্রেম একবারই আসে? প্রেম কি নদীর মতো, একবারই জন্মায় পাহাড়ের গায়ে তারপর সারা জীবন শুধু বয়ে চলে? নাকি প্রেম বাতাসের মতো, প্রতিটি ঋতুতে নতুন রঙ নিয়ে আসে, নতুন গন্ধ ছড়িয়ে