সাতক্ষীরায় চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যে আইন শৃংখলা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে বিনা কারনে নানা অজুহাতে সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। হাট বাজার গুলোতেও বেড়েছে মানুষের জনসমাগম। মানা হচ্ছেনা তেমন
অতিবৃষ্টির কারণে পানিবন্ধি হয়ে পড়া সাতক্ষীরা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার মানুষের দুর্গতি বাড়ছে। কিছু এলাকায় হাঁড়ি জ্বলছে না। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। বেড়েছে সাপের উপদ্রব। খালের ভিতর নেটপাটা অপসারন করা হয়নি।
গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে এপর্যন্ত জেলায় করোনা উপসর্গে মারা গেলেন ৫৪২ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৫ জন। মেডিকেল কলেজ
অতিবৃষ্টির কারণে ভেসে গেছে সাতক্ষীরার আমন ধানের বীজতলা, রোপা আমন, পুকুর, মাছের ঘের ও সবজি ক্ষেত। পানি থৈ থৈ করছে সাত উপজেলার ৭৮টি ইউনিয়ন আর দুটি পৌরসভার নিম্নাঞ্চল। মঙ্গলবার থেকে
সাতক্ষীরায় চলমান কঠোর লকডাউনের ৮ম দিনে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃখংলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আইনশৃখংলা বাহিনীর সদস্যরা মোড়ে মোড়ে চেক পোষ্ট বসিয়ে যারা অকারনে বাইরে বের হচ্ছেন তাদের
টানা ২৪ ঘন্টার অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সাতক্ষীরার সব নিম্নাঞ্চল। শহরের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। রাস্তাঘাট পানিতে থই থই করছে। বিলগুলিতে থাকা মাছের ঘের ও বীজতলা পানির চাপে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার
গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে এপর্যন্ত জেলায় করোনা উপসর্গে মারা গেলেন ৫৩৬ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টানা ১০ ঘন্টার বৃষ্টিতে সাতক্ষীরা পৌরসভার অধিকাংশ এলাকাসহ জেলার সব নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। সাতক্ষীরা পৌরসভার সমস্ত নিচু এলাকাও এখন পানির নিচে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায়
সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমনের হার কিছুটা কমলেও কমছেনা মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরা ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে, উপসর্গ নিয়ে জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে