রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খালেদা জিয়ার জন্মদিনে মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় স্থানীয় উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের উদ্যোগে দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালিত ডুমুরিয়ার আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী পালন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন ৫ সেপ্টেম্বর, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৯ প্রার্থী চলে গেলেন সাতক্ষীরার সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারাফ হোসেন মশু, দাফন সম্পন্ন কালিগঞ্জে অ স্ত্রে র মুখে জি ম্মি করে কাঠঘর ও শৌচাগারসহ খুপড়ি ঘর বানিয়ে ২৫ শতক জমি দ খ ল সাতক্ষীরার আলিপুর চেকপোস্টে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে কৃষকদলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের চার নেতা গ্রে ফ তা র 

চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৬, শহীদ হাবিলদার মোঃ আব্দুল বারী

✍️শেখ আকিব হোসেন✅
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৪৫১ বার পড়া হয়েছে

নম্বর ৩৯৪৬৬৮৬ শহীদ হাবিলদার মোঃ আব্দুল বারী, বীর প্রতীক, পার্বত্য চট্টগ্রামে ২ ইস্ট বেঙ্গল (জুনিয়র টাইগার্স) এর সাথে ১৯৮৯ সালে তৎকালীন মানিকছড়ি জোনে কর্মরত ছিলেন। গত ৩ অক্টোবর ১৯৮৯ তারিখে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার লামাছড়ি এলাকায় সশস্ত্র শান্তিবাহিনী সদস্যদের উপর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মোঃ সুলতান উদ্দিন ইকবাল এর নেতৃত্বে একটি দুঃসাহসিক অ্যামবুশ পরিচালনা করা হয়।

হাবিলদার বারী অপারেশন দলের একটি উপদলে স্কাউট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শান্তিবাহিনীর সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল অ্যামবুশ এলাকায় উপস্থিত হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। প্রতিউত্তরে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি বর্ষন করে। গুলিবর্ষণ এর মাঝে সন্ত্রাসী দলের এক সদস্য দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করলে তৎক্ষণাৎ হাবিলদার বারী তাকে ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায়ও হাবিলদার বারী পলায়নের চেষ্টারত সন্ত্রাসী দলের সদস্যকে গুলি করে ধরাশায়ী করেন।

অপারেশন শেষে তাকে উদ্ধার করে জরুরী ভিত্তিতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রেরণকালে তিনি উপস্থিত ক্যাপ্টেন মোজাম্মেলকে বলেন “স্যার কি হবে আর কষ্ট করে, আপনি আমাকে কষ্ট করে নিয়ে যাবেন, শেষ পর্যন্ত কোন ফল হবে না। আমার পরিবার এবং ছেলে,মেয়েকে আপনাদের হাতে সপে গেলাম। ওদেরকে দেখবেন স্যার”। এরপর পরপরই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। অভিযানের প্রথম থেকে তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ পর্যন্ত তিনি কর্তব্যপরায়নতার যে স্বাক্ষর রেখেছেন তা পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানিক ইতিহাসে গর্বের সাথে স্মরণীয়।

হাবিলদার বারী, তার অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!