শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ৪০ দিনের জামাতে নামাজ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল শ্যামনগরে বৈশাখী শিবের চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত  ভা র তে র মুসলমানদের উপর জু লু ম নি র্যা ত ন ও হ ত্যা র প্র তি বা দে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও বি ক্ষা ভ সমাবেশ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অ ভি যা নে ৩ জ ল দ স্যু আ ট ক, অ স্ত্র উ দ্ধা র গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-১০, ক্যাপ্টেন জসিম উদ্দিন আহমেদ

✍️শেখ আকিব হোসেন✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

ক্যাপ্টেন জসিম উদ্দিন আহমেদ, বীর প্রতীক, ই বেংগল গত ২৫ ডিসেম্বর ১৯৮৬ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১৫ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বরকল জোনে ১৬ ই বেংগল ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। ১৫ জুন ১৯৯১ তারিখে বরকল জোন সদর হতে ক্যাপ্টেন জসিম এর নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি টহল দল স্পীড বোট যোগে রুট প্রোটেকশন পোষ্টে অবস্থান নেয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে। বোটটি নদীর পাড়ের পোষ্টের নিকট পৌঁছালে তারা বোট থেকে অবতরণ করে কিছু দূর অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথেই সন্ত্রাসীরা তাদের উপর অতর্কিত ভাবে গুলি বর্ষন ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ক্যাপ্টেন জসিম অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার নিজস্ব এসএমজি দিয়ে সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্যে ফায়ার ব্যাক করতে থাকেন। এক সময় সন্ত্রাসীদের গুলির আঘাতে তার দুই পা ক্ষত বিক্ষত হয়ে যায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হওয়ার পরও ক্যাপ্টেন জসিম মাটিতে শায়িত অবস্থায় সন্ত্রাসীদের দিকে গুলি করতে থাকেন। তার ফায়ারের কাভারে টহলের অন্যান্য সেনাসদস্যগণ নিরাপদ স্থানে আঁড় নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

প্রচন্ড গোলাগুলির মাঝে হঠাৎ সন্ত্রাসীদের একটি গুলি ক্যাপ্টেন জসিম এর কপালে আঘাত করে। ফলশ্রুতিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। ক্যাপ্টেন জসিম মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিজের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। তার এই সাহসীকতা ও আত্মত্যাগ প্রতিটি সেনাসদস্যকে অনুপ্রানিত করে।

পরবর্তীতে ০৮ জুলাই ১৯৯২ তারিখে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ক্যাপ্টেন জসিম উদ্দিন আহমেদ’কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!