শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ৪০ দিনের জামাতে নামাজ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল শ্যামনগরে বৈশাখী শিবের চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত  ভা র তে র মুসলমানদের উপর জু লু ম নি র্যা ত ন ও হ ত্যা র প্র তি বা দে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও বি ক্ষা ভ সমাবেশ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অ ভি যা নে ৩ জ ল দ স্যু আ ট ক, অ স্ত্র উ দ্ধা র গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-৪, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

✍️শেখ আকিব হোসেন✅
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৬০১ বার পড়া হয়েছে

ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, বীর প্রতীক, ই বেংগল ১৫ জুন ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ২য় বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। কমিশন লাভের পর তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আলীকদমে মোতায়েনরত ৩৩ ই বেংগল ইউনিটে যোগদান করেন।

সে সময় শান্তিবাহিনীর দূষ্কৃতিকারীদের চাঁদাবাজী, হত্যাকান্ড ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে পার্বত্য চট্টগ্রামে জনজীবন ও আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নিম্নগামী ছিল। তরুন ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এসময় দূষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত টহল পরিচালনার পাশাপাশি অসংখ্য অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। এগুলোর মধ্যে ১৯৮২ সালের ডিসেম্বর মাসে আলীকদম থানাধীন টুইনঝিড়ি এলাকায় তার নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অপারেশন স্পট হাইট ৮৬১’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিযান ছিল। অভিযানের দিন ১২০০ ঘটিকায় তিনি ১০ জনের একটি পেট্রোল নিয়ে আলীকদম হতে পূর্বদিকে রওনা করেন। দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা পাড়ি দিয়ে অবশেষে বিকাল ১৭০০ ঘটিকায় ‘স্পট হাইট ৮৬১’ এর কাছে এসে পৌঁছান। সাথে যথেষ্ট পরিমান পানি অবশিষ্ট না থাকায় সামনে পাহাড়ের উপর একটি মাচাং ঘরের উঠানে গিয়ে তিনি ৫/৬ জন তরুন তরুনীকে তাস খেলতে দেখে তাদের কাছে পানির উৎস সম্পর্কে জানতে চান। তিনি তখনও বুজতে পারেননি যে তারা অস্ত্রধারী দুষ্কৃতিকারী। এসময় শান্তিবাহিনীর দুষ্কৃতিকারীরা পেট্রোলের সদস্যদের উপর গুলি শুরু করলে তিনি কৌশলগত অবস্থান নিয়ে শান্তিবাহিনীর দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করতে থাকেন। এতে ২ জন ঘায়েল হয় এবং অন্যান্য দুষ্কৃতিকারী গহীন জংগলে পালিয়ে যায়। শান্তিবাহিনীর গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে পরিচালিত উক্ত অপারেশনে ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল অগ্রভাগে থেকে কৌশলগতভাবে অপরিসীম সাহসিকতার সাথে অধিনস্থ সেনাসদস্যগণকে পরিচালনা করেন। তার আনিত কার্যকরী ফায়ারের চাপে দুস্কৃতিকারীরা আস্তানা হতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। উক্ত অপারেশনে শান্তিবাহিনীর গোপন ক্যাম্পটি সম্পূর্ন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং ৫টি ৩০৩ রাইফেলসহ প্রচুর পরিমানে এ্যামোনিশন, সরঞ্জামাদি, রশদ সামগ্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিল দস্তাবেজ উদ্ধার করা হয়। সফল এই অভিযানের কারণে শান্তিবাহিনী টুইনঝিড়ি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাদের প্রভাব বিস্তারে ব্যার্থ হয়।

পরবর্তীতে ০২ আগষ্ট ১৯৮৩ তারিখে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ক্যাপ্টেন (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!