শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ৪০ দিনের জামাতে নামাজ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল শ্যামনগরে বৈশাখী শিবের চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত  ভা র তে র মুসলমানদের উপর জু লু ম নি র্যা ত ন ও হ ত্যা র প্র তি বা দে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও বি ক্ষা ভ সমাবেশ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অ ভি যা নে ৩ জ ল দ স্যু আ ট ক, অ স্ত্র উ দ্ধা র গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

তালার খরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

✍️রঘুনাথ খাঁ🔏জেষ্ট প্রতিবেদক ☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নে অপরিকল্পিত ঘের করে মাছ চাষের ফলে খরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। ফলে বাঁশের চটা ও গোলপাতা দিয়ে বানানো অস্থায়ী খুপড়ি ঘরে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

শনিবার দুপুরে তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের খরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেয়ে দেখা গেছে মুল ভবনসহ শৌচাগার ও টিউবওয়েল পানিতে নিমজ্জিত। রাস্তার পাশেই একটি ছোট জায়গা বাঁশের চটা দিয়ে ঘিরে ও গোলাপাতার ছাউনির চালের মধ্যে নয়জন চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে নিয়ে চলছে পাঠদান। একই ঘরের মধ্যে প্রধান শিক্ষকসহ অপর চারজন শিক্ষক অবস্থান করছেন। খুপড়ি ঘরের সঙ্গে বাঁধা বাঁশের খুটিতে বাতাসে পৎ পৎ করে উঠছে জাতীয় পতাকা।

চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী দীপু মণ্ডল, জুবাইদা সুলতানা যুঁথি ও রোজ মণ্ডল জানান, পানিতে মূল ভবন জলমগ্ন রয়েছে। তাদের বাথরুম ও টিউবওয়েল পানির ভিতরে। করোনাকালিন সময়ে দীর্ঘদিন বিদ্যালয় খোলা না থাকলেও গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের ক্লাস চলছে বিদ্যালয়ের মূল ভবনের সামনে রাস্তার পাশে। জায়গার স্বল্পতার কারণে শিক্ষক শিক্ষার্থী মিলে মিশে একাকার। করার কি আছে দাবি করে তারা বলে, এক সময় কপোতাক্ষ নদ তাদের কাছে অভিশাপ ছিল। কপোতাক্ষ খনন হয়েছে। প্রতি বছর আর কপোতাক্ষের দু’ তীর ভেসে তাদের বাড়ি ঘর ডুবে যায় না। এবার বেশি বৃষ্টি হওয়ায় ও নিয়ম না মেনে ঘের করার কারণে বিদ্যালয়ের ভবনসহ এলাকার বেশ কিছু বাড়িও রয়েছে পানির নীচে। এখন তাদের প্রসাব পায়খানা পেলে ও পানির দরকার হলে দূরবর্তী বাড়িতে যেতে হয়। এ সমস্যা আর কত মাস তাদের সইতে হবে তা নিয়ে সন্দিহান তারা।

খরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ জাকির হোসেন বলেন, তার বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে শুধু এবার নয়। গতবারও এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতি বছর চার থেকে সাড়ে চার মাস তাদের এ বেহাল পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হয়।

একইভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি বিকাশ চন্দ্র রায় জানান, অপরিকল্পিত মাছের ঘের ও ভবানীপুর খালের পাশে বাঁধ দেওয়ায় বারাত বিলের পানি সরতে পারছে না। ঘেরের কারণে বিদ্যালয়ের সামনে থেকে মোহনা বাজার যাওয়ার রাস্তাটিও সরু হয়ে গেছে। বাই সাইকেল নয়, হেঁটে যাওয়াটাই দুষ্কর। প্রশাসনিকভাবে উদ্যোগ না নিলে এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সূযোগ নেই।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!