শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ৪০ দিনের জামাতে নামাজ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল শ্যামনগরে বৈশাখী শিবের চড়ক পূজা অনুষ্ঠিত  ভা র তে র মুসলমানদের উপর জু লু ম নি র্যা ত ন ও হ ত্যা র প্র তি বা দে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও বি ক্ষা ভ সমাবেশ সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অ ভি যা নে ৩ জ ল দ স্যু আ ট ক, অ স্ত্র উ দ্ধা র গানে ও ছন্দে কবিপ্রণাম: সাতক্ষীরায় বৈশাখের বিদায়লগ্নে রবীন্দ্র-স্মরণ সম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরার কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি মোস্তফা ও সম্পাদক আব্দুর রহমান সাতক্ষীরার চার অগ্নিশিখা- সংগ্রাম, ত্যাগ আর বিপ্লবের ইতিহাস আগাম হিমসাগর হারবেস্টে প্রশ্ন? তালা কৃষি কর্মকর্তার প্রত্যায়নে প্রশাসনের নীরবতা! সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতা চেয়ারম্যান আঃ আলিমের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

দুই মাস পর কাঁকড়া আহরণে স্বস্তি ফিরল সুন্দরবনের জেলেপাড়ায়

✍️মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও কাঁকড়া ধরার সুযোগ পাচ্ছেন উপকূলীয় জেলেরা।

কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমকে সুরক্ষিত রাখতে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে সুন্দরবন–এ কাঁকড়া আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বন বিভাগ।

২৮ ফেব্রুয়ারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় ১ মার্চ থেকে বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে জেলেরা পুনরায় সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন।

বন বিভাগের তথ্যমতে, বাংলাদেশের অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার জলভাগ, যা মোট আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ। এ জলভাগে রয়েছে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি এবং ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি কাঁকড়ার প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ৫৯ দিনের জন্য কাঁকড়া ধরা ও জেলেদের বনাঞ্চলে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ জানান, এ সময়ে কাঁকড়া নদী-খালে ডিম পাড়ে এবং ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। প্রজননকালীন এই সংবেদনশীল সময়ে কাঁকড়া আহরণ করলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় প্রতিবছরই এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে কাঁকড়া আহরণের অভিযোগে অন্তত ২৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দুই মাস কর্মহীন থাকায় উপকূলবর্তী বহু জেলে পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন। কেউ কেউ জীবিকার তাগিদে অন্যত্র কাজের সন্ধানে যান, আবার অনেকেই মহাজনি সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হন। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় জেলেপাড়ায় এখন ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। নৌকা ও জাল মেরামত করে নতুন উদ্যমে কাঁকড়া ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলা হরিপদ বলেন, এবার ভালো আহরণ হলে আগের লোকসান পুষিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন তারা।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!