বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডাঃ জাহিদ আলম অর্থোপেডিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এমএস অর্জনে অভিনন্দন সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের  কুলিয়ায় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক’র গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল  সাতক্ষীরায় মোবাইলে মায়ের সাথে কথা বলায় গৃহবধূকে পি টি য়ে হ ত্যা, হ ত্যা কা রি দে র গ্রে প্তা রে র দাবিতে এলাবাসীর মানববন্ধন তালায় গৃহবধূর কারিনার ঝু ল ন্ত ম র দে হ উ দ্ধা র, মৃ ত্যু কে ঘিরে রহস্য! দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছপালা ও বনভূমি বাড়াতে উপকুলীয় এলাকায় সামাজিক সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের বিশেষ উদ্যোগ ম্যানগ্রোভ নার্সারী ভাঙা সড়কে ম্লান হতে বসেছে সাতক্ষীরার ৩ উপজেলার ঈদ আনন্দ সাংবাদিক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমানের খালার মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের গভীর শোক জ্ঞাপন ৩ শতাধিক শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করলো আমরা বন্ধু তালায় ছাত্রশিবিরের অর্থ সহ পবিত্র কুরআন বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেবহাটায় পূর্ব শ ত্রু তা র জেরে যুবককে পি টি য়ে জ খ ম

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-২৩, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোজাম্মেল হোসেন 

✍️শেখ আকিব হোসেন✅
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০০৯ বার পড়া হয়েছে

মেজর মোজাম্মেল হোসেন, বীর প্রতীক, আর্টিলারি গত ২৩ ডিসেম্বর ১৯৭৯ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১ম বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি ইউনিটে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে গত ০৩ ডিসেম্বর ১৯৯০ তারিখে গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, সাধারণ এলাকা মেরুং পাড়ার পশ্চিমে সন্ত্রাসীদের আঞ্চলিক পরিচালক ও অস্ত্রসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ এ দলটি উক্ত এলাকায় সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

সংবাদ প্রাপ্তির পর জোন অধিনায়ক তাৎক্ষণিক অপারেশন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেন। মেজর মোজাম্মেল কে অপারেশন দলের অধিনায়ক মনোনীত করে মোট ৩ জন অফিসার সহ একটি এ টাইপ দল গঠন করেন। দলটিকে তিনটি ‘সি’ টাইপ দলে আন্তঃবিভক্ত করা হয় এবং একটির দায়িত্বে থাকেন মেজর মোজাম্মেল হোসেন। অপর ২টি ‘সি’ টাইপের কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন আহমেদ ও লেঃ এজাজ। টহলের তিনটি উপদল প্রায় ২ ঘণ্টা পথ চলার পর টার্গেট এলাকার কাছাকাছি এসে পৌঁছায়। টার্গেট টি ছিল নালার পাড়ে পাহাড়ের ঢালুতে জংগলাকীর্ণ এলাকায় সুকৌশলে বিন্যাস্ত একটি ঘর। ঘরটি ঘেরাও সম্পূর্ণ হলে মেজর মোজাম্মেল অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে মাত্র দুজন সৈনিক নিয়ে ঘরের বাইরে অবস্থানরত সন্ত্রাসীদলের প্রহরীর প্রায় ৪/৫ গজের মধ্যে এসে পড়েন। তন্দ্রাজড়িত প্রহরী তড়িঘড়ি করে এসএমসি তুলে গুলি করার চেষ্টা করলে মেজর মোজাম্মেল প্রহরীকে গুলি করেন। তাৎক্ষনিক ভাবেই শুরু হয় দুজন সৈনিক ও মেজর মোজাম্মেল এর সাথে সন্ত্রাসীদের ৪/৫ মিনিটের অনবরত ফায়ার। ঘটনাস্থলে ৩জন সন্ত্রাসী মৃত্যুবরণ করে এবং ২জন আহত হয়।

পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর ১৯৯১ তারিখে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মেজর মোজাম্মেল হোসেন’কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!