শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেবহাটার ডিআরআরএ এর উদ্যোগে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ উদ্বোধন সাতক্ষীরায় হরিজন জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বহুমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবী ‎ গোবিপ্রবি ও ঢাবির উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের মধ্যে গবেষণা সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর  সাতক্ষীরায় বজ্রাঘাতে ঘের ব্যবসায়ীর মৃ ত্যু সাতক্ষীরায় ভ্যান চু রি র সময় দুই যুবক আ ট ক, পুলিশে সো প র্দ আশাশুনির মাদ্রাসার মুহতামিমের বি রু দ্ধে মি থ্যে অ প প্র চা রে প্র তি বা দে সংবাদ সম্মেলন সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই বোতলজাত সোয়াবিন তেল খেতে হবে- ড. মোহাম্মদ শোয়েব প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপিকে দেখতে গেলেন  আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা শ্যামনগর থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাচারকালে জব্দকৃত ৫০ বস্তা শামুক সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত 

অনাবৃষ্টির ফলে কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ

✍️সেলিম হায়দার📝তালা প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে এসেও বৃষ্টির অভাবে ভুগছে সাতক্ষীরার তালার কৃষকরা। শ্রাবণের মাঝামাঝি সময় আমনের চারা রোপন করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন তালার বারুইহাটি গ্রামের হায়বাত আলী সরদার।

তিনি জানান, দুই বিঘা জমিতে ধান লাগায় । কিন্তু এবার বৃষ্টির অভাবে তাও কী হবে বলা যাচ্ছে না। বর্ষার অভাবে যদি ধান ঠিক মত না হয়, তাহলে আবার চাল কিনে খাওয়া লাগবে পরে। একই অবস্থা তালা উপজেলার অন্য কৃষকদেরও। প্রচণ্ড রোদে জমি শুকিয়ে যাওয়ায় আমন ধানের চারা আর পাট নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।

সরজমিনে কৃষি জমি ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা ভ্যানযোগে অর্ধশুষ্ক ও পরিপক্ব পাট নিয়ে ছুটছে দূরের কোন খালে জাগ দিতে, আমন ধানের বীজতলা অনাবৃষ্টিতে চৌচির হয়ে গেছে, ভরা বর্ষায় কোন খাল-বিল পানি নেই, তাই পাট জাগ দেওয়ার (পচানোর) পানি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। পাশাপাশি আমন ধানের চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা।

তালা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছর তালা উপজেলায় নয় হাজার ছয়শ পাঁচ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা স্প্রে করা হয়েছে এবং পাট চাষ হয়েছে তিন হাজার পঞ্চাশ হেক্টর জমিতে।

আটারই গ্রামের কৃষক মোঃ জামাত আলী মোড়ল জানান, ‘আমি এবছর প্রায় ২২ কাটা জমিতে পাট লাগিয়ে ছিলাম, ফলনও ভালো ছিল। কিন্তু বৃষ্টির অভাবে পাট জাগ দেয়ার জায়গা না থাকায় কাটতে দেরি করেছি। অনেক পাট গাছ শুকায়ে মেরে গেছে। এখনও যদি বৃষ্টির না হয় তাহলে আমাদের আর বাঁচার কোন উপায় নেই। ‘তিনি আরও জানান, এবার বিঘে দুই জমিতে ধান করার জন্য বীজতলা করলেও বৃষ্টির অভাবে চারার মান খুব খারাপ। আর বৃষ্টি না হলে ধান চাষ করাও আমাদের জন্য মুশকিল হয়ে যাবে।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাজিরা খাতুন জানান, বৃষ্টি না হওয়ায় এবার আমন চাষ কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। তবে লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হবে না বলে আশা করছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!