সাতক্ষীরার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপদাহ। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। প্রচন্ড এই গরমে কাজ করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া
সাতক্ষীরার উপর দিয়ে আজ বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপদাহ। ঘরে-বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। প্রচন্ড এই গরমে কাজ করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে
তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দক্ষিণের উপকুলীয় জেলা সাতক্ষীরা। গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্ত্বি মিলছেনা। তীব্র গরমে জনজীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা বিরাজ করছে। জেলা আবহাওয়া অফিস থেকে আজ সোমবার (২২এপ্রিল’২৪) বিকাল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
জীবন সংগ্রামে সমাজ, পরিবারের নানা বাধা কাটিয়ে সফলতার মুখ দেখেছেন সাতক্ষীরার দেবহাটার ৫ নারী। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এসব নারীদের ৫টি ক্যাটাগরিতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’’
বনের ফুল বনেই ফোটে কে রাখে তার খোঁজ, অনাদরে অবহেলায় ঝরছে কত রোজ। কবির এই অমিয় বাণীটি বড় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে জান্নাতের জীবনে। বস্তিতে বড় হয়ে ওঠা এতটুকু একটা শিশুর
সাতক্ষীরায় হিমেল হাওয়া আর কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবে গত দুই দিনের ব্যবধানে সোমবার তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন কর্মব্যস্ত মানুষ। প্রচন্ড শীতে বেকায়দায় পড়েছেন হতদরিদ্র ও
এক সময় শিক্ষা থেকে ঝরেপড়া এবং ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমের সাথে যুক্ত মহিউদ্দিন হোসেন মিঠু (১৭) এখন চাকরি করছে। মিঠু সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সুন্দরবনের কোলঘেঁষা দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের দিনমজুর মনিরুল
সমাজ ও পরিবারের নানা বাঁধা কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে সাফল্য অর্জন করেছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৫ নারী। নানা বাঁধা বিপত্তিকে পায়ে মাড়িয়ে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এসব নারীদের খুঁজে বের করে
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)’ র পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) বর্তমান বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় প্রধান মোঃ জিয়াউর রহমানের মাতা সদ্য সাতক্ষীরা সদর উপজেলার “সফল নারী জননী” হিসেবে নির্বাচিত সদর উপজেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা
হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) এই যুগের জন্য একজন পলিম্যাথ অর্থাৎ বহু জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তিনি গভীরভাবে ধর্মপ্রাণ ছিলেন। যে শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন তা মানুষের কল্যাণে ব্যায় করা প্রয়োজন বলে তিনি