বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় মাছের ঘেরে বি লী ন সড়ক, জন দূ র্ভো গ চরমে গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হ ত্যা র প্র তি বা দে শ্যামনগরে বি ক্ষো ভ মি ছি ল সাতক্ষীরা সদরে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কিটস বিতরণ দেবহাটায় পুওর ওয়েলফেয়ার ফোরাম (পফ) এর সভা তালার নগরঘাটা-মাছখোলা সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরার জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে জনতা ব্যাংকের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় সাতক্ষীরার অন্ধ ঘোড়ার দেখভাল করা কলেজছাত্র সোহানের পাশে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার রোটাবর্ষ ২০২৬-২৭ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, রোটাবর্ষের প্রথম মিটিং ও বৃক্ষরোপণ কালীগঞ্জে মাছের ঘের থেকে যুবকের ম র দে হ উ দ্ধা র, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হ ত্যা কা ণ্ড তালায় বা স চা পা য় স্কুলশিক্ষার্থীর মৃ ত্যু, আ হ ত বাবা

আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের স্থগিত হওয়া ৯ নং ওয়ার্ডের কারচুপির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন

✍️নিজস্ব প্রতিবেদক☑️
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৭৩২ বার পড়া হয়েছে

গত ০৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের স্থগিত হওয়া ৯ নং ওয়ার্ডের পুনঃ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন, খাজরা ইউনিয়নের তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মালেক মোল্লার পুত্র ও বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ০৫ জানুয়ারী বুধবার ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খাজরা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য পদে আমি প্রতিদ্বদ্বিতা করি। আমি ছাড়াও একই এলাকার ইব্রাহিম খলিল টুকু এই নির্বাচনে প্রতিদ্বদ্বিতা করেন। ভোট গননা শেষে আমি ১১১৮ ভোট পাই অপরদিকে ইব্রাহিম খলিল টুকু ১১০৯ ভোট পান। কিন্তু পুন: গননায় কারচুপি করে আমাকে ও ইব্রাহিম খলিল টুকুকে সমান সমান ভোট (১১১৬) দেখাইয়া ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়। যার বিরুদ্ধে আমি ফলাফল পুনরায় নিরপেক্ষভাবে গণণার জন্য উপজেলা রিটানিং অফিসার, জেলা রিটানিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনে দরখাস্ত করি। যার রিসিভ কপি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু আমি কোন ফলাফল পাইনি। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন গত ০৭ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) পুনরায় ভোট গ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করে।

তিনি বলেন, আমাকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরানোর জন্য চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম নিজে বাদী হয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্রমূলক মামলা দায়ের করে হয়রানি করে। পুনরায় ভোট গ্রহণের ১ সপ্তাহ পূর্বে হতে চেয়ারম্যান ডালিম নিজে তার সারা ইউনিয়নের সস্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের পাড়ায় পাড়ায় সমাবেশ করে। চেয়ারম্যান ডালিমের সস্ত্রাসী বাহিনী মুজিবর মোল্লা, বাপ্পি, আনিচ, ইমরান, ইনজামাম, মেহেদী, সিরাজুল মোল্লা, জাকির, সিরাজুল সানা, টুকু সরদার, আসাদুল সরদার গং আমার কর্মী ও সমর্থক করিম সরদার, আমার পুত্র ফরহাদকে ভোট গ্রহণের আগের দিন মারপিট করে এবং আমার কর্মী গনেশ মন্ডল, মোর্তাজুল, আব্দুল্লাহ, কালাম মোল্লার বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এর ফলে এলাকার লোক ভীতস্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। ভোটের আগেরদিন চেয়ারম্যান ডালিমের নেতৃত্ব দুপুরের পর বিভিন্ন এলাকার সস্ত্রাসীদের গ্রামে এনে ত্রাস সৃষ্টি করা হয়। আমাকে ও আমার লোকজনদের ভোটের মাঠে পাইলে মেরে ফেলার হুমকী দেয়া হয়। রাতে সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে যেয়ে মোরগে ভোট দিলে জানে মেরে দেব বলে হুমকী দেয়।

ভোটরদিন সকালে চেয়ারম্যানর উপস্থিতিতে সস্ত্রাসী বাহিনী আমাদের তাড়াইয়া আনে ও এজেন্টদের কেন্দ্র ঢুকতে বাধা প্রদান করে। এ অবস্থায় আমরা অসহায় বোধ করে নির্বাচন বর্জন করিয়া চলে আসি।

তিনি আরো বলেন, ভোটের দিন বাইরের সস্ত্রাসী বাহিনী কেন্দ্র দখল করে এককজন ১০-২০ টি করে ভোট দেয়। যা ব্যালেট পেপারের মুড়ি বইয়ের সাথে ভোটারের আঙুলের ছাপ মিল করলে প্রমানিত হবে। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি বিতর্কিত এই ভোটের ফলাফল বাতিল করে ৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল পুনরায় নিরপেক্ষভাবে গণণার জন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।

বি: দ্র: প্রতিবেদনটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ই-মেল থেকে প্রেরণকৃত।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!