প্রিন্ট এর তারিখ : ৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। প্রকাশের তারিখ : ৬ নভেম্বর ২০২৬

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার
, আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক সংঘাত আরও বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বাকি অংশও ধ্বংস করে দেওয়া হতে পারে। গত ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন বলে অ্যাক্সিওসের তথ্যে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়লাভের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে অস্বস্তি ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন স্বাধীনভাবে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে কি না, তা নিয়ে চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ফলে ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়তে পারে। তবে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন যে, নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার আগেই ট্রাম্প হয়তো বড় কোনো সামরিক অভিযান চালিয়ে বসতে পারেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছে। তবে অন্য বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যে যুদ্ধ থেমে যাবে, এমনটা নিশ্চিত নয়।

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে এক ধরনের অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এক দিকে তিনি হামলার পরিধি বাড়ানোর কথা বলছেন, অন্য দিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আপাতত বড় ধরনের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি এও যোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে ট্রাম্প বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে যুদ্ধের প্রভাব ছিল। তবে ফক্স নিউজের কাছে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের ফলে যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিই বেশি প্রভাব ফেলেছে। পেট্রোলের চড়া দামই ভোটারদের সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এর কারণ পেট্রলের দাম।’।