ের উত্তর: সাফ ফুটবল নিয়ে আপনার সব

সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন বা সাফের আয়োজনে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্ট নিয়মিত দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। টুর্নামেন্টটিতে মূলত সাতটি দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশ নিয়ে থাকে, যদিও গত আসরে দুটি অতিথি দলের অংশগ্রহণ দেখা গিয়েছিল। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৯৯৩ সালে এটি সার্ক গোল্ডকাপ নামে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৫ সালে নাম বদলে রাখা হয় সাউথ এশিয়ান গোল্ডকাপ এবং ১৯৯৭ সাল থেকে এটি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নামে পরিচিতি পায়। এবার বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টুর্নামেন্টটির ১৫তম আসর।
টুর্নামেন্টের সময়সূচি নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
বিভিন্ন সময়ে টুর্নামেন্টের বিরতি ভিন্ন হয়েছে; কখনো টানা দুই বছর আসর বসেছে, আবার চার বছরের ব্যবধানও দেখা গেছে।
বাংলাদেশে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে, যা আয়োজক দেশ হিসেবে ভারতের রেকর্ডকে স্পর্শ করেছে। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ছয়টি দল; ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে এবার অংশগ্রহণ করতে পারছে না নেপাল। দলগুলো দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে, যেখানে প্রতিটি দল গ্রুপসঙ্গীদের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। এরপর সেরা দুই দল সেমিফাইনালে এবং পরে ফাইনালে মুখোমুখি হয়।
বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রথম আসরে (১৯৯৩) বাংলাদেশ অংশ নেয়নি। এরপর অনুষ্ঠিত ১৩টি টুর্নামেন্টের সবকটিতেই অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে টাইব্রেকারে মালদ্বীপকে হারিয়ে একবারই শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকার পর পেনাল্টিতে বাংলাদেশ ৫-৩ ব্যবধানে জয়ী হয়। এছাড়া আরও দুইবার ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জেতা হয়নি বাংলাদেশের। টাইব্রেকারের আগে ১-১ সমতা ছিল ম্যাচটি। সাফে বাংলাদেশের জয়-হারের পরিসংখ্যান কী। মাঠের বাইরে দি মারিয়া আসলে কেমন মানুষ: তাঁর অজানা কিছু গল্প।
টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। ১৪ বার অংশ নিয়ে নয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ২০০৩ সাল ছাড়া বাকি সব আসরেই ভারত শীর্ষ দুইয়ে থেকেছে। এর আগে তারা তিনবার টানা দুইবার শিরোপা জিতেছে এবং এবার তাদের সামনে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়ার সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, এবারের মতো ২০০৯ সালেও ভারত মূল জাতীয় দলের পরিবর্তে অনূর্ধ্ব-২৩ দল পাঠিয়েছিল, তবুও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়। বিশ্বের সবচেয়ে আইকনিক ১০ ফুটবল স্টেডিয়াম।
এ পর্যন্ত মোট পাঁচটি দেশ সাফের শিরোপা জিতেছে। ভারত ৯ বার, মালদ্বীপ ২ বার এবং বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা একবার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এর মধ্যে আফগানিস্তান ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে তিনটি টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে একবার শিরোপা জয়ের পর সাফ ছেড়ে সেন্ট্রাল এশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঠিক আগের ও পরের টুর্নামেন্টেও ফাইনালে উঠেছিল। টুর্নামেন্টে কি সেরা দলই পাঠায় দেশগুলো।