প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ।। প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: উৎপাদন শুরুর খবর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: উৎপাদন শুরুর খবর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ
, জাতীয় ডেস্ক

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়া নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি নিরসনে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে মূলত ইউনিট-১-এর পাওয়ার স্টার্ট-আপ ‘স্টেজ সি’ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ রূপপুর প্রকল্পে পাওয়ার স্টার্ট-আপ স্টেজ সি শুরুর অনুমোদন প্রদান করে। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কমিশনিং কার্যক্রমের এই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। এটি মূলত বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কমিশনিং প্রক্রিয়ার একটি ধারাবাহিক ধাপ। গতকাল (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডকে পাওয়ার স্টার্ট-আপ স্টেজ সি শুরুর অনুমোদন দেন।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্টেজ সি ধাপের মূল উদ্দেশ্য হলো রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে বিভিন্ন সিস্টেমের সক্ষমতা যাচাই করা। এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টর, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সার্কিট, টারবাইন-জেনারেটর এবং সুরক্ষাব্যবস্থাসহ সব গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতির পরিচালনা ও সমন্বয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও রিঅ্যাক্টর প্রোটেকশন সিস্টেমের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এই ধাপের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সফলভাবে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরই ইউনিট-১-এর জেনারেটর জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সিঙ্ক্রোনাইজ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সকল শর্তপূরণই এর লক্ষ্য। বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির এই কমিশনিং প্রক্রিয়ায় পারমাণবিক নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। সব কার্যক্রমে নিউক্লিয়ার সেফটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।