যমদূতের ফোনকল রাত সাড়ে বারোটা বাজে, পুরোনো আমলের ফোনটা হঠাৎ বেজে ওঠে, আমি ক্লান্ত চোখে তাকাই, মনে হয় স্বপ্ন, নাকি বিভ্রম? ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়ে কাঁপা হাতে রিসিভ করে জিজ্ঞাসা
একটা বয়সের পর একটা বয়সের পর, ভালোবাসা মানে চিঠির মলাট ছেঁড়া শব্দ নয়, হাতের তালুতে লেখা নামের আদ্যক্ষর নয়, ভালোবাসা মানে হয়ে যায়— একটা লম্বা নিঃশ্বাস, এক কাপ নীরব চা,
অভিশপ্ত জাগরণ কত কিছু ছেড়ে এসেছি— নামহীন শহর, দগ্ধ বিকেল, স্মৃতির অন্ধকার অলিগলি, এমনকি নিজের ছায়াটাও… তবু পালাতে পারিনি তোমার দেওয়া একফোঁটা বিষাদ থেকে। রাত গভীর হলে— ঘুম আমাকে এড়িয়ে
নিজের জন্য যতবার আয়নায় চোখ রেখেছি, দেখেছি—আমিই আমার চেনা প্রতিচ্ছবি, আমিই আমার হারানো সময়, আমিই সেই গল্প, যার নায়ক বদলানোর ক্ষমতা শুধু আমারই আছে। মানুষ আসে, মানুষ যায়, কেউ গল্প
আমি আমার একান্ত ব্যক্তিগত তুমি কি কখনো ভেবেছো, একটা গাছের কথা— যে সারাজীবন ছায়া দেয়, অক্সিজেন বিলায়, তবু নিজে কি কখনো শ্বাস নেয় নিজের জন্য? আমরা এমনই এক সমীকরণের শিকার—
অপেক্ষার গতিশীলতা মন আমার বসে থাকে, মধ্যদুপুরের প্ল্যাটফর্মে— বিলম্বিত ট্রেনের জানালায় চোখ রেখে গুনতে গুনতে সময়ের লোহিত ধুলা। তবু আত্মা ছুটে চলে, সুন্দরবন এক্সপ্রেসের গতিরেখায়— পিছনে ফেলে ধোঁয়াশা গাছ, খুঁটির
নিস্তব্ধ রাতের বিষ নিভে আসে রাতের আলো— আকাশের গহন নীলে তবু বিষ মিশে থাকে শিরায়, চোখে গোপন আগুন জ্বলে। যে পথ আঁকাবাঁকা ছিল, সে পথেই পা ফেলেছি— বিষণ্ণ হাওয়া এসে
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা-২০২৫ উপলক্ষে কবির জীবনী গ্রন্থনিয়ে পাঠচক্রের আয়োজন করে সাতক্ষীরা বন্ধুসভা। শনিবার (২৫ জানুয়ারি ‘২৫) সকালে প্রথম আলো সাতক্ষীরা আঞ্চলিক অফিসে এ পাঠচক্র অনুষ্ঠিত
মিথিল: অমল স্মৃতির সঙ্গী চিত্রার স্রোতে ভেসে যাওয়া দিনগুলো, একই নদীর জলে ভেজা পায়ের ছাপ, এক মাঠের সবুজে ঘাম মিশে থাকা স্মৃতি— সেসব যেন আজ দূরের কোনো স্বপ্ন। মিথিল, তুই
অব্যক্ত কথার বৃষ্টি ইচ্ছে হয়, মনের ভিতরে জমে থাকা মেঘগুলো অঝোর ধারায় ঝরিয়ে দিই বৃষ্টির মতো। ইচ্ছে হয়, বুকের গভীরে জমে থাকা কথাগুলো দু’চোখ ভরা বিশ্বাসের সামনে অকপটে বলে যাই।