আগামী ২৫ ডিসেম্বর বুধবার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বড় দিন উপলক্ষে বান্দরবানের রুমা জোনের সুংসুং পাড়াতে ৯৭ পদাতিক ব্রিগেডের
নায়েব সুবেদার আব্দুল ওহাব, বীর প্রতীক, ই বেংগল ১৯৭৯ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ই বেংগল ইউনিটের নায়েব সুবেদার এ্যাডজুটেন্ট (এনএসএ) এর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। এসময় তৎকালীন ইউনিট অধিনায়ক একদিন নায়েব
হাবিলদার মোঃ গোলাম মোস্তফা, বীর প্রতীক, ই বেংগল পার্বত্য চট্টগ্রামের মানিকছড়িতে ১৬ ই বেংগল ব্যাটালিয়নের বি কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৮ তারিখ বিকালে একজন ইনফর্মার কোম্পানী কমান্ডার ক্যাপ্টেন মনোয়ারকে
লেফটেন্যান্ট মোঃ ফরহাদ আহমেদ, বীর প্রতীক, ই বেংগল গত ২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৩ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ৯ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩০ ই
ক্যাপ্টেন মোঃ সালাহ উদ্দিন আহম্মেদ ভুইয়া, বীর প্রতীক, ই বেংগল ২১ ডিসেম্বর ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ৩য় বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৫
লেফটেন্যান্ট মোঃ নুরে আজাদ, বীর প্রতীক, ই বেংগল গত ০৫ নভেম্বর ১৯৮২ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ৭ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। কমিশনের পর তিনি পার্বত্য
ক্যাপ্টেন মোঃ ওমর ফারুক, বীর প্রতীক, ই বেংগল গত ২৭ জুন ১৯৮৬ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১৪ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩০
লেফটেন্যান্ট মোঃ মবিনূর রহমান, বীর প্রতীক, ই বেংগল ২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৮ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী হতে ১৯ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১০ মে ১৯৯০ তারিখে
লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাহ মোঃ সুলতান উদ্দিন ইকবাল, বীর প্রতীক, ই বেংগল ১১ জানুয়ারি ১৯৭৫ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১ম স্বল্প মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের
ক্যাপ্টেন জসিম উদ্দিন আহমেদ, বীর প্রতীক, ই বেংগল গত ২৫ ডিসেম্বর ১৯৮৬ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১৫ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বরকল