ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় ভোট পড়েছে ৭২.৭৩ শতাংশ, কলারোয়ায় সর্বোচ্চ ৮১.৮৯
✍️মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল📝 জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক✅
প্রকাশের সময় :
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
১৪১
বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা চলছে। বিকাল সাড়ে ৪টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ৬৭ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা যায়। তবে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ‘২৬) কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমূখর পরিবেশে জেলার ৬০৯টি কেন্দ্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট করা হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ও ভোটের হার তুলে ধরেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার (এসপি)।
পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার সাতটি উপজেলায় গড়ে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। পুলিশ সুপার জানান, সকাল সাড়ে ৭ থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪ পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকায় জেলার কোথাও কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
বিকাল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল গণমাধ্যমকে জানান, জেলার চারটি আসনে ৭২ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৭০.৯৩ শতাংশ, দেবহাটা উপজেলায় ৭২.৫০ শতাংশ,, কলারোয়া উপজেলায় ৮১.৮৯ শতাংশ,, তালা উপজেলায় ৭৫ শতাংশ, আশাশুনি উপজেলায় ৬৮.৭৮ শতাংশ, শ্যামনগর উপজেলায় ৬৮ শতাংশ ও কালীগঞ্জ উপজেলায় ৭১.৯৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, “সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে কলারোয়া ও তালা উপজেলায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ, আনসার ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন ছিল।”
তিনি আরও বলেন , ভোটগ্রহণ পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের সহিংসতা রোধে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।
সাতক্ষীরার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল সংকলনের কাজ চলছে।
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনের মোট ভোটার ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৪২৪ জন।