বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরে মধুমতি কন্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ  সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোটালীপাড়ায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃসাহসিক চু রি, প্রায় ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লু ট বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  সাতক্ষীরার জামায়াত নেতা আল মুজাহীদের মৃত্যুতে সদর জামায়াতের শোক জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জে দুর্যোগ ও ভূমিকম্প মোকাবেলায় সচেতনতা মহড়া অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে জমি বি রো ধ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন, বি চা র দাবি

কলারোয়ায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকে চলে অপারেশন: হাতুড়ি ডাক্তার করে প্রেসক্রিপশন!

✍️আক্তারুল ইসলাম📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার গয়ড়া বাজারে অবস্থিত অনুমোদিতহীন আছিয়া মেমোরিয়াল নার্সিংহোম ক্লিনিকে নিয়মিত চলছে প্রসূতি নারীর সিজারিয়ান অপারেশন, অ্যাপেন্ডিক্স, ও পিআইডি মত গুরুতর অপারেশন। 
রোগীদের অপারেশন করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাড়া করে আনা হয় ডাক্তার। আর প্রেসক্রিপশন করেন ক্লিনিকটির পরিচালক হাতুড়ি ডাক্তার রমজান আলী নিজেই। ছাড়পত্রের আগমুহূর্ত পর্যন্ত অপারেশন করা সেই ডাক্তারের সাথে দেখা হয় না রোগীদের। অপারেশন করা রোগীদের ইমারজেন্সি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে নার্স অথবা ওয়ার্ড বয়রা দেন চিকিৎসা। এছাড়াও ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা রোগীদের করা হয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কিন্ত সেখানে নেই দক্ষ বা পরিশিক্ষিত টেকনিশিয়ান। ক্লিনিকের নাম ব্যবহার করা হয় আছিয়া মেমোরিয়াল নার্সিংহোম। বাস্তবতা হল ক্লিনিকের ফটকে নাই কোন বৈধ সাইনবোর্ড। ধারণা করা হচ্ছে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে এই কৌশল অবলম্বন করেছে ক্লিনিক মালিক।
সরকারি নীতিমালা অনুসারে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিস সেন্টারে আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষিত নার্স, ও দক্ষ টেকনোশিয়ানসহ সার্বক্ষণিক ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও সে নিয়ম মামা হচ্ছে না এখানে। যা শিকার করেছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রমজান আলী। আবার প্রতিবেদকের ক্যামেরার সামনে সব জায়গায় নাকি এভাবে ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে বলে দাবী করেন রমজান আলী। এসকল নাম সর্বস্ব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিস সেন্টারগুলোতে চিকিৎসা নিতে এসে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। 
মানুষের মৌলিক চাহিদারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। সেই মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে গয়ড়া বাজারের মত মফস্বল বাজারে বেশ কয়েকটি ক্লিনিক- ডায়াগনস্টিস সেন্টার, সেগুলো অধিকাংশ মানহীন। নেই নিজস্ব ডাক্তার, নেই পরিশিক্ষিত নার্স, ও দক্ষ টেকনোশিয়ান। এভাবেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই উল্টো পথে চলছে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। সচেতন মহলের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে যত্রতত্র অবৈধ ক্লিনিক- ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে।
এবিষয়ে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, অনুমোদনহীন বা লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে কোনো ধরনের অপারেশন করা সম্পূর্ণ বেআইনি, এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ও সঠিক অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবস্থা ছাড়া ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অস্ত্রোপচার করা যাবে না। যদি নির্দেশনা অমান্য করে তবে ঐ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!