বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরে মধুমতি কন্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ  সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোটালীপাড়ায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃসাহসিক চু রি, প্রায় ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লু ট বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  সাতক্ষীরার জামায়াত নেতা আল মুজাহীদের মৃত্যুতে সদর জামায়াতের শোক জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জে দুর্যোগ ও ভূমিকম্প মোকাবেলায় সচেতনতা মহড়া অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে জমি বি রো ধ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন, বি চা র দাবি

আশাশুনিতে পাওনা হারির টাকাসহ পৈত্রিক সম্পতি ফেরত ও চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

✍️মাহবুবুর রহমান📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে যুবলীগ নেতা সুমন গংদের বিরুদ্ধে জমির ইজারার সম্পূর্ন না দিয়ে জোর পূর্বক চিংড়ি ঘের করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি ‘২৬) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে আশাশুনির শ্রীকলস গ্রামের মৃঃ আমিনুল ইসলামের ছেলে এস.এম কামরুল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আশাশুনি উপজেলাধীন কোদন্ডা মৌজার বি,এস ১৬২ নং খতিয়ানে ৯.২২ একর জমি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে তিনি রেকর্ডীয় মালিক। আশাশুনি উপজেলা আ’লীগের তৎকালিন সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজাহান আলী ডিড/মৌখিক চুক্তিতে তার ৯.২২ একর জমিসহ ২৫০ বিঘা জমি নিয়ে ১৯৯৫ সাল থেকে চিংড়ি ঘের শুরু করেন। বর্তমানে মৃত শাহাজাহান আলী ছেলে সুমন ও ভাগ্নে হাসান মাহমুদ মুক্তি ওই ঘেওে চিংড়ি চাস করেন। ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের কাছে তার জমির হারির বাবদ ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৪২১ টাকা পাওনা থাকে। কিন্তু পাওনা উক্ত টাকা চাইলে তারা আজ দেই কাল দেই করিয়া কালক্ষেপন করিতে থাকে।

একপর্যায়ে গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তিনি উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কাছে তদন্তভার প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে বিবাদী পক্ষ হাজির না হওয়ায় ঘটনার সত্যতা আছে মর্মে ১৬ মার্চ তিনি প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে সুমন গংরা সেখানেও হাজির হয়নি।

কামরুল ইসলাম আরো বলেন, আমি সুমন গংদের কাছে পাওনা ৬,৩৮,৪২১ টাকার বার বার তাগাদা করা স্বত্ত্বেও  টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা করতে থাকে। এক পর্যায়ে সুমন ও মুক্তি আমার পাওনা হারীর টাকা দিবে না বলে হুংকার দিয়ে চলে গেলে আমি বাদী হয়ে সাতক্ষীরা আমলী ৮ নং আদালতে (সি.আর নং- ৫৯০/২৫) একটি মামলা করি। আদালতের নির্দেশে ওসি ডিবি তদন্ত করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা আছে মর্মে গত ৭ জানুয়ারি আমার অনুকূলে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুমন ও তার ফুপাতো ভাই মুক্তি আমার সেজো ভাই আরিফ, চাচাতো ভাই বাপ্পি এবং চাচা বুলবুল, রহিম, আবু জাহিদ সোহাগ, ছট্ট গংদের আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়। তারা বিঘা প্রতি মাত্র ১২ হাজার টাকা হারিতে আমার ৯.২২ একর জমি ২০২৮ সাল পর্যন্ত লিখিত চুক্তিপত্র চায়। আমি দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সেজো ভাই আরিফকে দিয়ে কোদন্ডা মৌজায় আমার অন্য ভার্গাদার ইদ্রিস এর জমিতে হানা/দখল করতে যায়। সেখানে ব্যার্থ হয়ে পরবর্তীতে সুমন ও মুক্তির ইন্ধনে আমার বাড়ীর চলাচলের সমনের পথ আরিফ ও ইউনুচ তালা লাগিয়ে বন্ধ করে রাখে। ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি  থেকে অদ্যবদি প্রায় ১১ মাস তারা আমার বাড়ীর সম্মুখের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। ফলে আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারছিনা।

তিনি উপজেলার কোদন্ডা মৌজায় সুমনের ঘেরের মধ্যে অবস্থিত ৯.২২ একর জমি বের করে নিয়ে বাঁধ দিয়ে চলতি ২০২৬ সালে যাতে নিজে নির্বিঘেœ মৎস্য ঘের করতে পারেন এবং পাওনা ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৪২২ টাকা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানান। একই সাথে সেজো ভাই আরিফ ও ইউনুচ মিস্ত্রী কর্তৃক যাতে বাড়ীর সামনে দিয়ে চলাচলের পথ অবৈধভাবে জোরপূর্বক বন্ধ রাখতে না পারে তার প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!