বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় নি র্যা তি ত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভা ও ইফতার মাহফিল দেবহাটায় এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের অসহায়দের মাঝে শাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ সাতক্ষীরা সদরে ৫ হাজার ৭শ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শাড়ি বিতরণ করেছেন এমপি আব্দুল খালেক তালায় নি হ ত বিপ্লব কবিরের পরিবারে তারেক রহমানের ঈদ অনুদান গোপালগঞ্জে দুদকের মামলায় বন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নমুনা সংগ্রহকারী দিদারুল গ্রেপ্তার  শ্যামনগরে এতিম ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণে ওয়ার্ড যুব ফোরাম শান্তি সংঘ একাডেমির  সাতক্ষীরায় ঘরে মিলল চিকিৎসক ও নৈশপ্রহরীর ঝু ল ন্ত ম র দে হ উপজেলা নির্বাচনে সাতক্ষীরায় জামায়াতের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ডাঃ জাহিদ আলম অর্থোডনটিক্স স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এমএস অর্জনে অভিনন্দন সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের  কুলিয়ায় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক’র গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল 

বেতনা নদীর নবজন্মে সাতক্ষীরায় জলবদ্ধতা মুক্ত কৃষি বিপ্লব

✍️জামাল উদ্দিন📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৭ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার অববাহিকায় বেতনা নদী খনন ও সংযোগ খাল পুনরুদ্ধারেএক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। ফলে বেতনা অববাহিকায় নিরব কৃষি বিপ্লবে আত্মহারা নদী বেষ্টিত এলাকার মানুষ। জেলার তালা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা ও আশাশুনি-এই পাঁচ উপজেলার প্রায় ১৪ লক্ষ মানুষ দীর্ঘদিনের জলবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে পেয়েছে কৃষি ও জীবিকার নবজীবন।

২০০০ সালের পর দখল ও দূষণে মৃতপ্রায় বেতনা নদীকে ২০২১ সালে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ৩৫০ কোটি টাকার ব্যায়ে খননে পুনরায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে বেতনা। ২৫০ কিলোমিটার সংযোগ খাল খনন সহ বেতনা নদীর ৪৫ কিলোমিটার ও মরিচ্চাপ নদীর ৩৫.৫ কিলোমিটার খননে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার সুফল মিলেছে চলতি বর্ষা মৌসুমেই।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা গেছে, এ বছর সাতক্ষীরায় চলতি বর্ষা মৌসুমে ১৬৯১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৫৭৬ মিলিমিটার বেশি। গত বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাত হয়েছিল এ জেলায় ১১১৫ মিলিমিটার।অথচ এবার কোনো গ্রাম তলিয়ে যায়নি, ফসলের মাঠ রক্ষা পেয়েছে, মাছের ঘের ভেসে যায়নি। বরং ধান, পাট, কুল, আমসহ নানা ফসলের মাঠে ফিরেছে হাসি, মাছের খামারে ফিরেছে স্বপ্ন।

তালা উপজেলার তৈলকুপী গ্রামের কৃষক আব্দুল কাদের সরদার জানান, এবার ঘের তলিয়ে যায়নি। ৫ বিঘা জমির ঘেরের বেঁড়িতে লাগানো সবজি থেকে প্রতি সপ্তাহে আয় হচ্ছে ১৫-১৮ হাজার টাকা, আর বাগদা চিংড়ি বিক্রি করছি ১০ হাজার টাকার মতো। এমন স্বাবলম্বী কৃষকের সংখ্যা হাজার হাজার, যারা জেলার অর্থনীতিকে শক্ত ভিত দিচ্ছেন।

সাতক্ষীরা পাউবো-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাসকিয়া বলেন, খনন কাজ শেষ হওয়ার আগেই মানুষ সুফল পাচ্ছে-এটাই আমাদের বড় অর্জন। পলি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষা ও জনগণের সচেতনতা নিশ্চিত করতে পারলেই এই সফলতা স্থায়ী হবে।

২০২৩ সালের শুমারী অনুযায়ী,বেতনা নদীর অববাহিকার ৫ উপজেলার সরাসরি উপকারভোগীর সংখ্যা ১৩,৯২,৮১৬ জন। শুধু জলাবদ্ধতা নয়, নদী খননের ফলে সৃষ্টি হয়েছে মিষ্টি পানির আঁধার, যা শুষ্ক মৌসুমে সেচের অন্যতম উৎস হয়ে উঠবে। ফল, মাছ সবজি ও অর্থকরী ফসল উৎপাদনে ইতিমধ্যেই যে বিপ্লব সূচিত হয়েছে, তা অব্যাহত থাকলে সাতক্ষীরায় কৃষি হবে আত্মনির্ভরতার প্রতীক।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!