রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সাংবাদিক নেটওয়ার্কের ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত  দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের ডেঙ্গু সহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গোপালগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কালিগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেবহাটায় বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ভ্যান চালকের হয়রানিমূলক মামলায় রেহাই পেতে সংবাদ সম্মেলন  দেবহাটায় ডেঙ্গ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান সাতক্ষীরায় ‘মা’ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুস্থ্য পরিবারের মাঝে সেমাই চিনি বিতরণ বেতনা ও মরিচ্চাপ নদী রক্ষায় টিআরএম বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বীর সেনানিদের বীরত্বগাঁথা-৮, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহদী নাছরুল্লাহ শাহীর

✍️শেখ আকিব হোসেন✅
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

লেঃ মাহদী নাছরুল্লাহ শাহীর, বীর প্রতীক, ই বেংগল ২৫ ডিসেম্বর ১৯৮৭ তারিখে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি হতে ১৭ বিএমএ দীর্ঘ মেয়াদী কোর্সের সাথে কমিশন লাভ করেন।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বরকল জোনের ১৬ ই বেংগল এ কর্মরত থাকাকালীন ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ তারিখে বেতছড়িতে অবৈধ চাঁদা আদায়কারীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে চলাচলের রাস্তায় এ্যামবুশ (ফাঁদ) পরিকল্পনা করা হয়। উক্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্যাপ্টেন সৈয়দ সিরাজ-উল-হক এর নেতৃত্বে একটি টহল দল গভীর রাতে যাত্রা শুরু করে এবং সেই টহল দলের উপ অধিনায়ক ছিলেন লেঃ মাহদী। লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর পর দল অধিনায়ক টহল দলটিকে ছোট ছোট উপদলে বিভক্ত করে অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। অতঃপর দল অধিনায়ক যখন উপদল সমূহের অবস্থান সুবিন্যস্ত করছিলেন তখন নায়েক মোঃ কামাল উদ্দিন অবৈধ চাঁদা আদায়কারী দলের একজন দুষ্কৃতিকারীকে বান্ডুলিয়ার পরিহিত অবস্থায় একটি জুম ঘর থেকে বের হতে দেখেন।

এসময় টহল অধিনায়ক সন্ত্রাসীদের আরও সদস্য জুম ঘরে অবস্থান করছে বলে অনুমান করেন এবং এ্যামবুশের পরিবর্তে জুম ঘরে রেইড করার পরিকল্পনা করেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী টহল উপ অধিনায়ক লেঃ মাহদী বিলম্ব না করে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঁচু পাহাড়ের দূর্গম পথে জুম ঘরের সন্নিকটে পৌছে যান। এসময় তার সাথে ছিল ল্যাঃ নায়েক মোঃ মতিউর রহমান। ক্যাপ্টেন সৈয়দ সিরাজ-উল-হক এবং সিপাহী মোঃ মোজাম্মেল হোসেনও লেঃ মাহদী’কে অনুসরণ করে জুম ঘরের নিকটে পৌঁছে যান এবং উভয় দল একসাথে অতর্কিতভাবে দুষ্কৃতিকারীদের ঘিরে ফেলেন। ঘটনার আকস্মিকতায় দুস্কৃতিকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পরে এবং সেনাবাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করে। এই সফল অভিযানে অবৈধ অর্থ আদায়কারী ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। সেইসাথে একটি এসএমজি, ৩টি ম্যাগাজিনসহ ৯০ রাউন্ড এ্যামোনিশন, অবৈধ চাঁদার অর্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র উদ্ধার হয়।

পরবর্তীতে ২২ মার্চ ১৯৯১ তারিখে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি লেঃ মাহদী নাছরুল্লাহ শাহীর’কে অভিযানে অনুকরণীয় সাহসীকতা ও বীরত্বের পরিচয় রাখায় বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!