বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডাঃ জাহিদ আলম অর্থোডনটিক্স স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এমএস অর্জনে অভিনন্দন সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের  কুলিয়ায় মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক’র গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল  সাতক্ষীরায় মোবাইলে মায়ের সাথে কথা বলায় গৃহবধূকে পি টি য়ে হ ত্যা, হ ত্যা কা রি দে র গ্রে প্তা রে র দাবিতে এলাবাসীর মানববন্ধন তালায় গৃহবধূর কারিনার ঝু ল ন্ত ম র দে হ উ দ্ধা র, মৃ ত্যু কে ঘিরে রহস্য! দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছপালা ও বনভূমি বাড়াতে উপকুলীয় এলাকায় সামাজিক সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের বিশেষ উদ্যোগ ম্যানগ্রোভ নার্সারী ভাঙা সড়কে ম্লান হতে বসেছে সাতক্ষীরার ৩ উপজেলার ঈদ আনন্দ সাংবাদিক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমানের খালার মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের গভীর শোক জ্ঞাপন ৩ শতাধিক শিশুর মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ করলো আমরা বন্ধু তালায় ছাত্রশিবিরের অর্থ সহ পবিত্র কুরআন বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দেবহাটায় পূর্ব শ ত্রু তা র জেরে যুবককে পি টি য়ে জ খ ম

গাজীপুরে কারাগারে বন্দি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

আমির হোসেন রিয়েল, গাজীপুর জেলা প্রতিবেদক: 
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩১১ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি মাহবুবুর রহমান (৭২) মারা গেছেন। শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত মাহবুবুর রহমান টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রাইনহাটি এলাকার মৃত আবদুল ওয়াদুদের ছেলে।
কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম খান জানান, যুদ্ধাপরাধী মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাহবুবুর রহমান আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। শুক্রবার ভোরে তার অবস্থার অবনতি হলে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মাহবুবুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ কারাগারের তার কয়েদি নম্বর- ৪৪১২/এ ছিল। দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা (আরপি সাহা) ও তার ছেলে হত্যাকাণ্ডসহ তিনটি গণহত্যার অভিযোগে গত বছরের ২৭ জুন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মাহবুবুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। 
২০১৭ সালের ২ নভেম্বর তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ মামলার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওইদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাহবুবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মে মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২০ থেকে ২৫ জন সদস্যকে নিয়ে রণদা প্রসাদ সাহার বাসায় অভিযান চালায়। 
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় আসামি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমসের আশপাশের এলাকা, নারায়ণগঞ্জের খানপুরের কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও তার আশপাশের এবং টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজ এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করে বলেও জানান আব্দুল হান্নান খান। 
এক সময় নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসায় নামেন রণদা প্রসাদ সাহা, থাকতেন নারায়ণগঞ্জের খানপুরের সিরাজদিখানে। সে বাড়ি থেকেই তাকে, তার ছেলে ও অন্যান্যদের ধরে নিয়ে যায় আসামি মাহবুবুর রহমান ও তার সহযোগীরা। 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!