বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পঁয়ত্রিশ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন নলতার দানবির আলহাজ্ব জাহিদুল হক কালিগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  সাতক্ষীরার জামায়াত নেতা আল মুজাহীদের মৃত্যুতে সদর জামায়াতের শোক জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জে দুর্যোগ ও ভূমিকম্প মোকাবেলায় সচেতনতা মহড়া অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে জমি বি রো ধ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন, বি চা র দাবি সাতক্ষীরায় হ য় রা নি থেকে র ক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কালিগঞ্জের ফিড্ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কবির দেবহাটায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মুক্তি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে আঞ্চলিক অ্যাডভোকেসি সেমিনার অনুষ্ঠিত গ্যারেজে ছিল চারটি বাইক, চো র নিয়ে গেল কেবল একটি!

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন

✍️গৌতম চন্দ্র বর্মন 🔏 ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিবেদক ☑️
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৪২৬ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের গড়েয়া গোপালপুর গ্রামে এক নারী বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাসায় সাত দিন থেকে অনশন করছে। সমাধান মিলছে না কোনভাবেই।
জানা যায়, গড়েয়া গোপালপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তারের কন্যার সাথে কয়েক বছর আগে ঠাকুরগাঁও মুন্সির হাটে এলাকার তরিকুলের সাথে বিয়ে হয়। তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহের জেরে দুই বছর থেকে বারার বাসায় ফিরে আসে। দীর্ঘ দিন বাবার বাসায় থাকায় স্বামী আরেকটি বিয়ে। পরে স্বামীর বাসায় আর ফিরেনি আব্দুস সাত্তারের কন্যা।  
বাবার বাসায় অবস্থান নেয়ার পর গড়েয়া গোপালপুর গ্রামের বেলাল ইসলামের ছেলে মানিক তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোর পূর্বক একাধিক বার শারিরিক সম্পর্ক করে। এক পর্যায়ে মানিককে বিয়ের কথা বলা হলে মানিক তার কথায় কর্ণপাথ না করলে গত ৭ আগষ্ট ওই মেয়ে মানিকের বাসায় গিয়ে উঠে। মানিকের পরিবারের লোকজন তাকে বাড়ি থেকে টানা হ্যাঁচড়া করে বের করে একটি সরকারি প্রকল্পের ঘরে তালা মেরে বন্দী করে রাখে। গত ৮ আগষ্ট প্রকল্পের ঘর ও জায়গা হস্থান্তর করার জন্য ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেখানে যান। মেয়েটি যেন কারো সাথে দেখা করতে না পারে সে জন্য তাকে ঘরে বন্দি করে তালা মেরে রাখা হয়। 
পরে স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিক মেয়েটিকে বন্দী অবস্থা দেখতে পেলে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। মানিকের পরিবারের হাতে তাকে তুলে দিয়ে স্থানীয় ভাবে বসে বিষয়টি সমাধানের কথা বলা হয়। 
গত ৯ আগষ্ট রাতে বিয়ের দেওয়ার কথা বলে মানিকের পরিবার মেয়েটিকে নিয়ে স্থানীয় সোহরাব কাজীর কাছে যায় কিন্তু ৩ লক্ষ টাকা মোহরানা করতে চাইলে বিয়ে না দিয়েই ফেরত আসেন তারা। দফায় দফায় আপোশ মিমাসার জন্য বসা হলেও ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কোন সমাধান না হওয়ায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মেয়ের পরিবার। 

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!