
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পাওনা টাকা পরিষদের পরও ব্যবসায়ীক লেনদেনে প্রদান করা চেক ফেরত না দিয়ে শেখ আব্দুল বারী কর্তৃক ফিড্ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কবির এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, হয়রানী ও মিথ্যাচারের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ ‘২৬) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কালিগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের দলিল উদ্দীন গাজীর ছেলে ফিড্ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর কবির এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার একজন ক্ষুদ্র ফিড্ ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীক কারণে কৃষ্ণনগর গ্রামের শেখ আক্কাস আলীর ছেলে শেখ আব্দুল বারীর মালিকানাধীন “জিম পোল্ট্রি এন্ড ফিস ফিড” থেকে নিয়মিত পোল্ট্রি ফিড ক্রয়-বিক্রি করে আসছিলাম। এক পর্যায় তার কাছে ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা পাওনা হয়। যা তিনি প্রাপ্য কমিশন হিসাবসহ ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক কৃষ্ণনগর শাখার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে আব্দুল বারীকে পরিশোধ করেন। কিন্তু ব্যবসায়ীক শর্তে তার দেওয়া পৃথক দুটি চেকের পাতা আব্দুল বারীর কাছে ফেরত চাইলে তিনি না দিয়ে তাকে বিপাকে ফেলতে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। একপর্যায়ে বারী তার ম্যানেজার উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের সোবহান মল্লিকের ছেলে শওকাত হোসেনকে দিয়ে একটি চেকের পাতা ডিজঅনার করায় এবং মামলা দায়ের করে তাকে ভিটেমাটি ছাড়া করার হুমকী ও নানান অশান্তি সৃষ্টির আস্ফালন করতে থাকে।
জাহাঙ্গীর কবির আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে শেখ আব্দুল বারীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে বসাবসি হলে তার প্রাপ্য টাকা যথাযথ ভাবে পরিশোধ হয়েছে প্রমান মেলে। এরপরেও ধুরন্ধর আব্দুল বারী শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক শত্রুতাবশত হয়রানী করতে তার (করিব) বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় বিষয়টি নিয়ে বসাবসি হলে সেখানেও প্রমান হয় যে, শেখ আব্দুল বারী তার নিকট কোনো টাকা পাবেনা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বারীর টাকা পরিশোধ হয়েছে প্রমান মেলার পরও সে চেকের পাতা ফেরত না দিয়ে তাকে জেলের ভাত খাওয়াবে ও ভিটেমাটি ছাড়া করবে, পথেঘাটে একাকী পেলে মারপিট করে বেঁধে রাখবে বলে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া যে কেনো সময়ে সে তাকে মারপিট, খুন, যখম ও মোটা অংকের চেকের মামলা দিতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। ফলে বারীর তার পেটুয়া বাহিনীর ভয়ে জাহাঙ্গীর কবির চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি আব্দুল বারীর মিথ্যে হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।