শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তালায় মা ছেলেকে মা র ধ র, তিন লাখ টাকা ছি ন তা ই দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরাতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শাড়ি কম্বল থ্রি পিস ও বিকাশ নম্বর দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা চলছে: কলারোয়া ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম শ্যামনগরে ১২টি এয়ারগান, ২৫ বক্স এয়ারগানেরগুলিসহ এয়ারগানের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে তালায় সাংবাদিকদের সঙ্গে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহর মতবিনিময় বিএনপিতে যোগ দিলেন সাতক্ষীরার শিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতের রোকন নুর মোহাম্মদ যুব উন্নয়নের নিবন্ধন সনদ পেল তারুণ্য যুব ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরায় সেনাবাহিনীর মহড়ায় ভোটকেন্দ্র দখল প্রতিরোধের বাস্তব চিত্র তালা-কলারোয়ার হিন্দুদের নিরাপত্তায় জীবন উৎসর্গের অঙ্গীকার হাবিবের

কলারোয়ায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকে চলে অপারেশন: হাতুড়ি ডাক্তার করে প্রেসক্রিপশন!

✍️আক্তারুল ইসলাম📝নিজস্ব প্রতিবেদক✅
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার গয়ড়া বাজারে অবস্থিত অনুমোদিতহীন আছিয়া মেমোরিয়াল নার্সিংহোম ক্লিনিকে নিয়মিত চলছে প্রসূতি নারীর সিজারিয়ান অপারেশন, অ্যাপেন্ডিক্স, ও পিআইডি মত গুরুতর অপারেশন। 
রোগীদের অপারেশন করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাড়া করে আনা হয় ডাক্তার। আর প্রেসক্রিপশন করেন ক্লিনিকটির পরিচালক হাতুড়ি ডাক্তার রমজান আলী নিজেই। ছাড়পত্রের আগমুহূর্ত পর্যন্ত অপারেশন করা সেই ডাক্তারের সাথে দেখা হয় না রোগীদের। অপারেশন করা রোগীদের ইমারজেন্সি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে নার্স অথবা ওয়ার্ড বয়রা দেন চিকিৎসা। এছাড়াও ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা রোগীদের করা হয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কিন্ত সেখানে নেই দক্ষ বা পরিশিক্ষিত টেকনিশিয়ান। ক্লিনিকের নাম ব্যবহার করা হয় আছিয়া মেমোরিয়াল নার্সিংহোম। বাস্তবতা হল ক্লিনিকের ফটকে নাই কোন বৈধ সাইনবোর্ড। ধারণা করা হচ্ছে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে এই কৌশল অবলম্বন করেছে ক্লিনিক মালিক।
সরকারি নীতিমালা অনুসারে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিস সেন্টারে আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষিত নার্স, ও দক্ষ টেকনোশিয়ানসহ সার্বক্ষণিক ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও সে নিয়ম মামা হচ্ছে না এখানে। যা শিকার করেছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রমজান আলী। আবার প্রতিবেদকের ক্যামেরার সামনে সব জায়গায় নাকি এভাবে ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে বলে দাবী করেন রমজান আলী। এসকল নাম সর্বস্ব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিস সেন্টারগুলোতে চিকিৎসা নিতে এসে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। 
মানুষের মৌলিক চাহিদারগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। সেই মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে গয়ড়া বাজারের মত মফস্বল বাজারে বেশ কয়েকটি ক্লিনিক- ডায়াগনস্টিস সেন্টার, সেগুলো অধিকাংশ মানহীন। নেই নিজস্ব ডাক্তার, নেই পরিশিক্ষিত নার্স, ও দক্ষ টেকনোশিয়ান। এভাবেই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই উল্টো পথে চলছে এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা। সচেতন মহলের দাবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে যত্রতত্র অবৈধ ক্লিনিক- ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে।
এবিষয়ে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, অনুমোদনহীন বা লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে কোনো ধরনের অপারেশন করা সম্পূর্ণ বেআইনি, এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুযায়ী, বৈধ অনুমোদন ও সঠিক অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবস্থা ছাড়া ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অস্ত্রোপচার করা যাবে না। যদি নির্দেশনা অমান্য করে তবে ঐ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!