
সুন্দরবনের জলদস্যু ও উপকুলীয় অঞ্চলের কুখ্যাত মাদক চোরাচালানী আরজ খাঁন ও তার দুই সহযোগীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর ‘২৫) ভোরে তাদেরকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী থেকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১৩৫ পিস ইয়াবা, তিনটি মোবাইল ফোন ও দুটি মোটর সাইকেল আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো, শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালি গ্রামের শেখ সামছুর রহমানের ছেলে আরজ খাঁন ওরঢে আর এস খান (৫০), একই গ্রামের মতিয়ার গাজীর ছেলে সোহরাব গাজী (৪০) ও ফজলুল হক গাজীর ছেলে ফরহাদ হোসেন (৩৬)।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ সেনাক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আরজ খাঁন, সীমান্তে চোরাচালান, সুন্দরবনে জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। আরজ খাঁন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা সীমান্ত পেরিয়ে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য এনে সুন্দরবনে জমা করতো। পরে ওই সব মালামাল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দিতো। আরজ খাঁন ও তার বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে চোরাচালান, মাদক পাচার ও গণধর্ষণ মামলার আসামী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি শুক্রবার ভোরে পশ্চিম কৈখালি এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ১৩৫ পিস ইয়াবা, তিনটি মোবাইল ফোন ও দুটি মোটর সাইকেল আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার দুপুর দুটোর দিকে তাদেরকে শ্যামনগর থানায় সোপর্দ করা হয়।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় আরজ খাঁনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শুক্রবার থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর ‘২৫) সকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।