গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল সাতক্ষীরা টাইমস, সাতক্ষীরা সংবাদ, দেশ টাইমস, ১৮ সেপ্টেম্বর প্রিন্ট পত্রিকা দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদসহ কয়েকটি পত্রিকায় “সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকে সরাতে ষড়যন্ত্র, শিক্ষা ব্যবস্থা বিঘ্নিত” শিরোনামে সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের একটি অংশে আমাকে জড়িয়ে যে সকল তথ্য তুলে ধরা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।
প্রকৃত পক্ষে আমি সরকারি নির্দেশে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি। আমি সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকাকালীন স্বচ্ছতার সাথে সকল শিক্ষক মন্ডলীর সমন্বয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করেছি। আমি দায়িত্বে থাকা কালীন বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থার মান সন্তোষজনক ছিল। সরকারি বিধি-বিধান প্রতিপালন পূর্বক আয়-ব্যয় নির্বাহ করেছি এবং আমার আওতাধীন সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সংরক্ষণ ও দাপ্তরিকভাবে হেফাজত করেছি। যা আমি গত ১২/০৬/২০২৪ইং তারিখে দায়িত্ব হস্তান্তরের সময়, দায়িত্ব গ্রহণকারী কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ এর নিকট অর্পণ করেছিলাম। মো. আবু সাঈদ গত ১৪/০৮/২০২৪ইং তারিখে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন মো: আনিছুর রহমানের নিকট। মো: আনিছুর রহমান গত ২৫/০৩/২০২৫ইং তারিখে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন মো: আলাউদ্দিনের নিকট, যিনি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। যা সঠিক তদন্ত করলে বোঝা যাবে। সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক/সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হলে বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্যে হতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করার বিধান রয়েছে। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং দুইজন সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। যেহেতু, মো: আলাউদ্দিনের মূল পদ সিনিয়র শিক্ষক, এবং এ বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্য সিনিয়র শিক্ষকদের মধ্যে মো: আলাউদ্দিন জ্যেষ্ঠ, সে কারনে, সে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতেছে। আসল কথা হলো, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে সরকারি চাকরি হতে অবসর নেবেন। ততক্ষণ পর্যন্ত, মোঃ আলাউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে থাকার জন্য, ইচ্ছাকৃত ষড়যন্ত্র এবং বানোয়াট কাজে লিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছেন। মো: আলাউদ্দিনের, প্রথমত মূলপদ: সিনিয়র শিক্ষক, দ্বিতীয়ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, এটি তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব। অর্থাৎ সেও দুটি পদে দায়িত্ব পালন করতেছে। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শূন্য পদে সাবেক প্রধান শিক্ষক, এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুনরায় অথবা অন্য কোন প্রধান শিক্ষক/সহকারী প্রধান শিক্ষক অথবা মো: আলাউদ্দিনের চেয়ে জ্যেষ্ঠ কোন সিনিয়র শিক্ষক এই বিদ্যালয়ে পদায়ন পেতে না পারে, এই কারণেই আমার এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে।
আমি কখনো কোন অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে জড়িত নই। তাই আমাকে এবং সংবাদে উল্লিখিত সম্মানিত অন্য শিক্ষকদের জড়িয়ে নিয়োগ বানিজ্য, বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট, ষড়যন্ত্রসহ যে সকল মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন
সাবেক প্রধান শিক্ষক
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।