মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধানের শীষ প্রার্থী ডক্টর মনিরুজ্জামানের সাতক্ষীরা-৪ শ্যামনগর আসনে নির্বাচনী জনসভা  লাঙ্গল প্রতীক বিজয়ী হলে প্রতিটি ঘর হবে এমপির ঘর: সাতক্ষীরার সাবেক এমপি আশু জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করব: কলারোয়ায় ধানের শীষের প্রার্থী হাবিব অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের পরাজিত করে জনগণ ধানের শীষকে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ-নির্বাচনী জনসভায় আব্দুর রউফ  মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ থাকে ঠিক সেই ভাবে হিন্দু- খ্রিষ্টান ভাইদের নিরাপদে রাখা হবেঃ মুহাঃ ইজ্জত উল্লাহ উৎসবমুখর পরিবেশে স্মার্ট বিদ্যালয় ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিকেএসপিতে জায়গা করে নিলেন তালার মেয়ে তুন্নি গোপালগঞ্জের শুকতাইলে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়ার বিশাল নির্বাচনী জনসভা লু ট পা ট কা রী এবং দু র্নী তি বা জ দে র ব য় ক ট করতে হবে : অধ্যাপক ইদ্রিস আলী মা-বোনদের বেহেশতের টিকিটের লোভ দেখিয়ে জামায়াত ভোট চাচ্ছে: কাজী আলাউদ্দীন

সাতক্ষীরায় প্রায়ত ভাইয়ের স্ত্রীর ও মেয়ের প্রাপ্ত সম্পত্তি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
Exif_JPEG_420

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের একেএম নাছির উদ্দীন স্থানীয় প্রভাবশালী মিজান চৌধুরীর লোক পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে তার প্রয়াত ভাইয়ের স্ত্রীর ও সন্তানের প্রাপ্ত সম্পত্তি জবর দখলের  চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা সদরের ফয়জুল্লাপুর গ্রামের মৃত. একেএম হেলাল উদ্দীনের স্ত্রী শহরের মুনজিতপুর এলাকায় বসবাসকারি মোছাঃ সাহিদা আনছারী রুমি এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার স্বামী একেএম হেলাল উদ্দীন একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। আমাদের একমাত্র মেয়ে হুমায়রা আফিয়া রুহি (৬)কে রেখে ২০১৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান। মুসলিম শরিয়া মতে তার ত্যাক্ত সম্পত্তি আমরা প্রাপ্ত হই। কিন্তু আমার স্বামীর ত্যাক্ত সম্পত্তি হতে আমাদেরকে বঞ্চিত করার জন্য স্বামীর ছোট ভাই নাছির উদ্দীন, মাতা তাহেরা বানু  এবং দুইবোন ফিরোজ পারভীন ও নাজমা পারভীন মিলে জাল জালিয়াতির কাগজ প্রস্তুত করে সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে আমাকে বিবাদী করে একটি মামলা করেন। মামলায় ১৬/০৬/২০১৯ তারিখের ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার তিনটি চেক সংযুক্ত করেছেন। যা মামলার বাদী একেএম নাসির উদ্দীন ও বোন ফিরোজা পারভীন মৃত হেলাল উদ্দীনকে প্রদান করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ হেলাল উদ্দিন মারা গেছেন ৪ ফেব্রুয়ারি। আরা তারা চেকে স্বাক্ষর দেখাচ্ছেন তার মৃত্যুর ৪ মাস ১৬ দিন পরে ১৯ জুন।

মামলায় আদালত নির্দেশনা প্রদান করেন যে, দরখস্তের বর্ণিত তফশীলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি মামলার নিম্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ জিম্মায় রাখা হোক। বিবাদী পক্ষকে নিষেধাজ্ঞা প্রদানে বিরত করা হলো। যেন তারা জমি হস্তান্তর কোন প্রকার দায়বদ্ধ কেউ না করে।

সাহিদা আনছারী রুমি অভিযোগ করেবলেন, আদালতের এই আদেশ অমান্য করে মামলার বাদী নাসির উদ্দীন আমাদের প্রাপ্য সম্পত্তির গাছপালা কেটে বিক্রিসহ জমির ফসলাদি ও ঘেরের মাছ আড়াই বছর ধরে ভোগ করছে। স্বামীর মৃত্যুর পরই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে আমার ও এতিম বাচ্চাকে প্রকাশ্যে খুন জখমের হুমকি দেয়। ফলে প্রাণের ভয়ে বাচ্চাকে নিয়ে শহরের মুনজিনপুর একটি বাড়িতে আশ্রয় নেই। সেখানে বাড়িভাড়া ৫৫ হাজার টাকা বাকি। যা পরিশোধ করার মত কোন সহায় সম্বল নাই। কোন উপায় না পেয়ে গত ৩ মে সাতক্ষীরা থানায় একটি অভিযোগ করি। থানা কর্তৃপক্ষ নাসির উদ্দীনকে ডেকে মিমাংসার চেষ্টাসহ স্বামীর মৃত্যুন্তে আমার হিস্সা মতে ও এতিম বাচ্চার ভোরণ পোষ দিতে বলে অন্যথায় গাছের আম ও ঘেরের মাছ ও গাছপালা কাটতে নিষেধ করেন। কিন্তু  থানা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সালিস অমান্য করে নাছির উদ্দীন ভালুকাচাঁদপুর অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক ময়নুর রহমান চৌধুরির আপন ভাই মিজান চৌধুরির স্বরনাপন্ন হন। পরে মিজান চৌধুরির মৌখিক নির্দেশে নাসির উদ্দীন অনুমান ২০ বিঘা জমির বাগানের আমসহ ঘেরের মাছ লুট ও গাছপালা কেটে নেয়  তিনি আরো বলেন, নাসির উদ্দীন ও মিজান চৌধুরীর ৫০/৬০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গত ১৮ মে ভোরে আমার গাছের আম ও পুকুরের মাছ লুটপাট করে নেয়। আমপাড়া ও  মাছ মারতে বাধা দিলে চাঁদপুরের মিজান চৌধুরীর হুকুমে তারা আমার ও এতিম শিশুকে হত্যা করবে বলে আমি জানতে পারি।

এভাবে তার গত দুই বছরের আমার প্রায় ৩০/৪০ লক্ষ টাকার ক্ষতি করেছে। ফলে আমি এতিম শিশু বাচ্চাকে নিয়ে অত্যান্ত কষ্টে ও অনাহারে দিন যাপন করছি।

টাকার অভাবে আমার শিশু বাচ্চার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। এত কিছু জানার পরও মিজান চৌধুরী আমার দেবর নাসিরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেনযাতে আমার পাপ্য সম্পত্তি, ফসল ও ফল ফলাদি আমি না পাই।

তিনি একজন বিধবা অসহায় নারী হিসেবে স্বামীর রেখে যাওয়ার সম্পত্তির অংশ বুঝে পাওয়া এবং নিজের ও শিশু মেয়ের জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বি: দ্র: প্রতিবেদনটি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ই-মেল থেকে প্রেরণকৃত।

সংবাদ টি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: SHAMIR IT
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!