
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি ইউনিয়নের পাইককান্দি পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বি এম মাহমুদুল ইসলাম (নোবেল) নামের পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই পুলিশ কর্মকর্তা খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন-এ কর্মরত ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার মাহমুদুল সরকারি কাজে গোপালগঞ্জে এসে কাজ শেষে শ্বশুরবাড়িতে ওঠেন। সোমবার (২৭ জুলাই ‘২৬) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামে শ্বশুর ঝুনু শেখের বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ে স্থানীয় শিশুরা ওই পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ দেখতে পায়। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহটি পুকুরপাড় থেকে তুলে রাস্তার পাশে একটি ভ্যানের ওপর রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়না তদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে জানাগেছে, প্রায় দশ বছর পূবে বিয়ের পর থেকেই মাহমুদুল ছুটিতে বাড়ী এলেই নিজ গ্রাম একই ইউনিয়নের পাশের গ্রাম বিজয়পাশায় না গিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। এদিকে, নিহতের পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ, স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে মাহমুদুল ইসলামের সঙ্গে পারিবারিক কলহ ও ঝগড়া লেগেই থাকত। মূলত স্ত্রীর মানসিক চাপ ও পারিবারিক জটিলতার কারণেই তাঁকে নিজের বাড়িতে না গিয়ে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করতে হত বলে দাবি তাদের। এই মৃত্যুর ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুর ঝুনু শেখকে পুলিশ আটক করেছে।