
গোপালগঞ্জ সহ দক্ষিণবঙ্গে যাত্রী সেবায় অনন্য “ইমাদ পরিবহন” -এর এক যুগ পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ‘২৬) দুপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় যাত্রী পরিবহন বাস সেবা ‘ইমাদ পরিবহন’ -এর এক যুগ পূর্তি উদযাপিত হয়।
গোপালগঞ্জ শহরের চৌরঙ্গীস্থ হারুন টাওয়ারে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরাআন শরীফ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আজম আলী খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ হাবিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা এনজেল শেখ, চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এস এম সাব্বির।
ইমাদ পরিবহনের অফিস ইনচার্জ (এইচ.আর) হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিবহন সেক্টরের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, ইমাদ পরিবহনের ম্যানেজার শেখ রেজাউল করিম বাসু, ইমাদ পরিবহনের নিয়মিত যাত্রী সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজিত এক যুগ পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ হাবিবুর রহমান মহান মহান আল্লাহ পাকের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতায় ইমাদ পরিবহন আজ যাত্রীদের হৃদয়ের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে। বরাবরের ন্যায় আপনাদের সুচিন্তিত মতামত, অভিযোগ ও উপদেশ আগামীতেও আমাদের প্রতিষ্ঠানকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে। যাত্রীসেবার মানবাড়াতে চলতি মাসের ১৫ জুলাই থেকে আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ইমাদ পরিবহনের যাত্রীদের টিকিটে আকর্ষণীয় রাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে প্রথম পুরস্কার একটি ইলেকট্রিক ই-বাইক, দ্বিতীয় পুরস্কার একটি রেফ্রিজারেটর উপহার স্বরূপ প্রদানের ঘোষণা দেন তিনি। এছাড়াও ৫০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার সহ মোট ৫২টি পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শুরু থেকেই নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য যাত্রী সেবায় ইমাদ পরিবহন গোপালগঞ্জ সহ দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের আস্থা ও ভালোবাসায় হৃদয়ে ঠাই করে নিয়েছে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রীদের দ্রুত ও আরামদায়ক সেবা দিতে এই পরিবহনের ভূমিকা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ সময় যাত্রীগণ সড়ক দুর্ঘটনারোধে পরিপূর্ণভাবে ট্রাফিক আইন মেনে গতি নিয়ন্ত্রণে রেখে যানবাহন পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন সেই সাথে আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। আলোচনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ শেষে কেক কেটে এক যুগ পূর্তি উদযাপন করা হয়।