প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১০, ২০২৬, ২:৫৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১৮, ২০২৬, ৮:০০ পি.এম
মা দ ক-চো রা চা লা ন, বিদ্যুতের লোডসেডিং সহ মাছের ঘেরে ডা কা তি নিয়ে দেবহাটায় উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনার ঝড়!

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা চলমান মাদকের প্রভাব বিস্তার, চোরাচালানী বন্ধ না হওয়া। ঘনঘন লোডসেডিং এবং রাতের আধারে মাছের ঘেরে ডাকাতির ঘটনায় উত্তাপ ছাড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের জন্য নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রস্তুতি।
সোমবার (১৮ মে '২৬) উপজেলা পরিষদ সভকক্ষে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন দেবহাটা থানর ওসি (তদন্ত) রেজাউল করিম, দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বারী মোল্লা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মজিবুর রহমান, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা বিজিবির নায়েক সুবেদার লোকমান হোসেন, উপজেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি চন্দ্রকান্ত মল্লিক, ইমাম সমিতির সভাপতি আব্দুস সত্তার প্রমুখ।
সভায় আলোচিত ইস্যু ছিল অনিয়ন্ত্রিত ভাবে লোডশেডিং। যার ফলে জনজীবন হাফিয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দিনের বেলা নানা অযুহাতে বিদ্যুত সংযোগ বন্ধ ও সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘন ঘন লোড সেডিং করায় এসএসসি পরীক্ষার্থী থেকে শুরু করে সব শ্রেণিপেশার মানুষের জীবনে এক দুর্বিসহ নেমে এসেছে বলে উল্লেখ করা হলে নির্বাহী কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পল্লী বিদ্যুতের এজিএমকে নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি দেবহাটার সীমান্ত নদী পার হয়ে মাদক, চোরাচালানি পণ্য ও চিংড়ির রেনু আসায় দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে উল্লেখ করা হয়। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সজাগ হওয়ার আহবান জানানো হয়। এছাড়া পারুলিয়া বিলে মাছের ঘেরগুলোতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাতের আধাঁরে মাছ লুটের ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। সেই সাথে মাছের ঘেরগুলোতে ডাকাতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে না পাড়ায় উদ্বোগ জানানো হয়। অতিদ্রুত সময়ে এটি বন্ধ না করা গেলে এ অঞ্চলের মাছ চাষি ও ঘের মালিকরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়া সহ আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হবে বলে জানানো হয় সভায়। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজে সঠিক মান বজায় রাখতে নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগীতা কামনা করা হয়। সেই সাথে অবৈধ বালু উত্তোলন সহ সকল প্রকার অন্যায় কাজ বন্ধে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এদিকে উপজেলার অন্যতম পশুরহাট পারুলিয়া গরুহাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ছায়া দিতে অস্থায়ী সেড নির্মান করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা।
Copyright © 2026 DESHTIMES 24. All rights reserved.