
সাতক্ষীরার আইনজীবি ও সাংবাদিক এ্যাডঃ এ, বি, এম, সেলিমকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট খবরে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদে সাংবাদিক আইনজীবি ও সুশীল সমাজের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সাতক্ষীরার আইনজীবি ও সাংবাদিক এ্যাডঃ এ, বি, এম, সেলিম ৮ এপ্রিল বুধবার সাতক্ষীরা, ইসমাইল হোসেন বাবু'র ফেসবুক আইডি থেকে সোশাল মিডিয়ার সাতক্ষীরার এ্যাডঃ এ, বি, এম, সেলিমের ছবি দিয়ে ফ্যাসিস্ট দোসর বলে একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবিকে পরিকল্পিত ভাবে তার মানহানীর যে অপচেষ্টা চলছে, তা অবিলম্বে বন্ধ হোক। মিথ্যা ও বানোয়াট খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক আইনজীবি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা।
এ বিষয়ে এ্যাডঃ এ, বি, এম, সেলিম সাংবাদিকদের জানান,
আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় এবং স্নেহে
আমি ৩০ বৎসর ওকালতি করি। ২০০১ সালে আমি এ,পি,পি, ছিলাম। আমি নোটারী পাবলিক ছিলাম। আমি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলাম।
আমি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ছিলাম। আমি জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলাম। আমি আশাশুনি উপজেলা বি,এন,পির, আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। আমি বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা বি, এন, পির, নারী ও শিশু নির্যাতন নীপিড়ন সহায়তা কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা আহবায়ক কমিটির ১ নং সদস্য৷, সাতক্ষীরা জেলা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পি, পি,
আমি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্যানেল এ্যাডভোকেট ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় পএিকা দৈনিক ৭১ এর বাংলাদেশ পএিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি।
৮ এপ্রিল বুধবার সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির ইসমাইল হোসেন বাবু তার ফেসবুক আইডি থেকে সোশাল মিডিয়ায় আমার ছবি দিয়ে ফ্যাসিস্ট দোসর বলে সাতক্ষীরা বাসী সহ বহু স্হানে হেয় প্রতিপন্ন করেছে।
তিনি আরো জানান, ইসমাইল হোসেন বাবু সম্প্রতি মোটর সাইকেল চুরি করতে গিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার এস, আই, আবুল হাসেম এর নিকট গ্রেফতার ও মামলা হয়। এব্যাপারে সাতক্ষীরার কয়েকটি দৈনিক পএিকায় ছবি সহ রিপোর্ট ছাপা হয়। ইসমাইল হোসেন বাবুর মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির কোষাধ্যক্ষ কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলামের ওকালত নামা দিয়ে কোর্টে উপস্থিত হয়ে মুভ করে জামিন করিয়াছে।
ইসমাইল হোসেন বাবুর ফেসবুক আইডি থেকে মিথ্যা বানোয়াট ভূয়া তথ্য দিয়ে সাংবাদিক ও এ্যাডঃ এবি এম সেলিমের জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়ায় সাংবাদিক ও আইনজীবি ও সুশীল সমাজে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ্যাডভোকেট এবিএম সেলিমকে নিয়ে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট দাবী জানিয়েছেন সাতক্ষীরার সুশীল সমাজ।