
অন্যের জমিতে ঢুকে ডাল কেটে সজিনা নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় বাবা ও ছেলের দায়ের কোপে জখম হয়েছেন কমল বালা ও শিমুল বালা নামের দু্ সিহোদরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গত শুক্রবার ( ২৭ মার্চ '২৬) দুপুর একটার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কমল বালাকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শিমুল বালাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ, গত ৫ দিনেও মামলা রেকর্ড করেনি পুলিশ।
কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন কালিগঞ্জের শ্রীরামপুর গ্রামের কমল বালা জানান, গত শুক্রবার তাদের গ্রামের বাবুল সরকার ও তার ছেলে কার্তিক সরকার জোরপূর্বক তাদের জমিতে ঢুকে সজিনা গাছের ডাল কাটতে থাকে। ডাল থেকে সজিনা পেড়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বাধা দেন। এতে বাবা ও ছেলে তাকে (কমল) গালিগালাজ করতে থাকে। কথাকাটিাকাটির একপর্যায়ে কার্তিক তার হাতে থাকা দা দিয়ে তার মাথায় কোপ মারে। এ ছাড়া ও দা দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ কুপিয়ে জখম করে। তার ভাই শিমুল বালা তাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে বাবুল সরকার লাঠি দিয়ে তাকে পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
শিমুল বালার অভিযোগ, শুক্রবার রাতেই তিনি বাদি হয়ে বাবুল সরকার ও তার ছেলে কার্তিক সরকারের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করেন। বিষয়ঢটি তদন্ত করার জন্য উপপরিদর্শক মাহাবুবর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। মাহাববুর রহমান আসামী আগে ধরার পর মামলা নেওয়া হবে বলে জানান। একপর্যায়ে বুধবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ভাই শিমুল বালা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল হোসেনের কাছে গেলে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। তার পর যঁাচাই বাছাই করে ঘটনার সত্যতা পেলে মামলা নেওয়া হবে বলে জানান।
এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল হোসেন বুধবার (০১ এপ্রিল '২৬) রাত ৮টার দিকে মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর কাগজপত্র নিয়ে থানায় দিলে তার পর যাঁচাই বাছাই করে মামলার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত ৫ দিনেও কি ঘটনার সত্যতা যাঁচাই করা সম্ভব হয়নি এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, বোঝেন তো, কয়েকদিন সময় তো লাগবেই।