
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জেও ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলমান রয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৮ মার্চ '২৬) সকাল পৌনে ১১টায় গোপালগঞ্জ বড় বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং পৌরসভার বাস্তবায়নে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান। তিনি নিজ হাতে খালের ময়লা- আবর্জনা পরিষ্কার করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে শহরের মাঝখান দিয়ে দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী মধুমতি খালটি আগামী ১০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে শহরের অন্যান্য খাল ও ড্রেন গুলোতেও এই অভিযান চালানো হবে। বর্ষা মৌসুমের আগেই ট্রেনগুলো পরিষ্কার করা হবে। শুধু জেলা শহর নয়, এই কর্মসূচি জেলার প্রতিটি উপজেলায়, পৌরসভায়, ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ড একযোগে বাস্তবায়িত হবে।এ সময় জেলা প্রশাসক আরো বলেন, “পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি,। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন আবাসিক ও ব্যস্ততম এলাকায় মাইকিং করে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া পূর্ণাঙ্গ সাফল্য সম্ভব নয়।” তিনি সকলকে নিজ নিজ অফিস- আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বাড়ির আঙ্গিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (অঃ দাঃ), গোপালগঞ্জ পৌর প্রশাসক (অঃ দাঃ), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৌশিক আহমেদ, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ সহ পৌর প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী মাহফুজুর রহমান লাবলু, কনজারভেন্সী পরিদর্শক, এমরান আলী মোল্লা, বড়বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ জেলায় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে পৌরসভার কনজারভেন্সী পরিদর্শক এমরান আলী মোল্লার নেতৃত্বে একঝাঁক চৌকস পরিচ্ছন্ন কর্মী প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে এই অভিযানে অংশ নেন। এসময় তিনি নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “আপনারা যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। নিজেদের বসতবাড়ি পরিস্কার -পরিচ্ছন্ন রাখুন যাতে মশার বংশবিস্তার না ঘটে। আপনারা সহযোগিতা করলে আমরা একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পৌরসভা উপহার দিতে পারবো।