
শীতে কাঁপছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। একদিকে, হাড় কাঁপানো শীত, অন্যদিকে, হিমেল হাওয়া ও কুয়াশার কারনে বিপাকে পড়েছে প্রানী কুলও। প্রচন্ড শীতে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে শহরের রাস্তাঘাট ও বাজার। বেলা যত বাড়ছে শীতের প্রকোপও তত বাড়ছে।
গত তিন দিন ধরে সূর্যের কোন দেখা নই। প্রচন্ড শীতে বেকায়দায় পড়েছেন হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তীব্র শীতে বিশেষ করে বেকায়দায় পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ গুলো। কনকনে শীত উপেক্ষা করে তারা আয়-রোজগারের জন্য ক্ষেত খামার ও রাস্তাঘাটে বের হয়েছেন। জেলায় ছিন্নমুল মানুষের অবস্থা খুবই অসহনীয়। তারা গরম কাপড়ৈর অভাবে প্রচন্ড শীত ভোগ করছে। লতা পাতা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে অনেকেই শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন। যদিও মাঝে মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতার্তদের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ করা হচ্ছে। আর এই প্রচন্ড শীত শিশু ও বয়স্কদের মাঝে শীতজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, দুই এক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও উঠানামা করতে পারে। মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি '২৬) সকাল ৬ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতার পরিমান ছিল ৯৮ শতাংশ। গতকাল সোমবার তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সামছুর রহমান জানান, তীব্র শীতে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তাদেরকে হাত মোজাসহ শরীরে গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হবে। ভোরে তাদের বাহিরে বের করা যাবেনা। বাসী খাবার খাওয়ানো যাবেনা। বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। ঠান্ডা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বয়স্কদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শেখ আমিনুর হোসেন
দেশ টাইমস
www.deshtimes24.news.com
Copyright © 2026 DESHTIMES 24. All rights reserved.