
স্থানীয় জাতবৈচিত্র্য ও বীজ সংরক্ষণ বিষয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর '২৫) শাপলা নারী উন্নয়ন সংগঠনের আয়োজনে উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধূমঘাট এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালাটিতে নেপালের পারমাকালচার থেকে আগত এগ্রোইকোলজি ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কর্মরত ৭জন প্রতিনিধি অল্পনা রানীর গবেষণাধীন ধানের প্লট, এবং তার বাড়ির বিভিন্ন উদ্যোগ ও চর্চা পর্যবেক্ষণ করেন। উক্ত কর্মশালায় স্থানীয় ১৬৪ জাতের ধান, শিম ২৪, ঝাল ১২, ডাঁটাশাক ১০, লাউ ৫, অচাষকৃত ২৬, বেগুন ৫, ঝিঙা, তরুল, পুঁইশাক, উচ্ছে, পেঁপেসহ প্রায় ৪০০ প্রকারের স্থানীয় বীজ প্রদর্শনী ও হাতে কলমে বীজ সংগ্রহ সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
শাপলা নারী উন্নয়ন সংগঠনের সভানেত্রী অল্পনা রানী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে ও বারসিকের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর বরষা গাইন সঞ্চালনায় বারসিকের শিক্ষা, সাংস্কৃতি, বৈচিত্র্য ও নগরের সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম বীজ সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ দেন।
এসময় নেপালের দিল মায়া গুরুং, বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, কর্মসূচি কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ মন্ডল, মারুফ হোসেন ও পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ এবং ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের এগ্রোইকোলজি দল ও নারী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।