
বেসরকারি এনজিও লিডার্সের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই '২৪) সাতক্ষীরার আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর জন্য জনগণের সহনশীলতায় রূপান্তর প্রকল্প” এর উপকার ভোগী কৃষানীদের মাঝে লবন ও জলাবদ্ধতা সহনশীল ধান বীজও জৈব সার বিতরণ করা হয়।
উক্ত বীজ বিতরনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেনর জনীগন্ধা জলবায়ু সহনশীল দলের সাধারন সম্পাদক ঝুমা তরফদার, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল হান্নান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের একান্ত সহকারী মোঃ আল-মামুন, শাপলা জলবায়ু সহনশীল দলের সভাপতি মিনতি রায়, প্রকল্পের টিম লিডার রনজিৎ কুমার মন্ডল সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীগন উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রনজিৎ কুমার মন্ডল বলেন তৃনমূল পর্যায়ে দুর্যোগ পীড়িত কৃষকদের কৃষি খাতে ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা যথেষ্ট বেশী। জলবায়ু স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে ক্ষয় ক্ষতি কমানো সম্ভব। এই প্রকল্প জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীদের জলবায়ু স্মার্ট কৃষি চর্চায় উৎসাহিত করার জন্য এলাকার জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনা করে লবন ও জলাবদ্ধতা সহনশীল ধান বীজ (ব্রিধান-৭৮) ও জৈব সার (ফরেস্ট লিংক জৈব সার) বিতরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন দূর্যোগ কবলিত এলাকায় আমন মৌসুমের জন্য লবন ও জলাবদ্ধতা সহনশীল জাতের ধান চাষাবাদের আওতায় আনা প্রয়োজন। তিনি লিডার্সে সময় উপযোগী কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং কৃষকদের জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনা করে কৃষি চর্চার আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে ৫০ জন কৃষকের মাঝে ৪০০ কেজি ধান বীজ এবং ৫০০ কেজি জৈব সার বিতরণ করা হয়।