
নদীতে ভাটা প্রবাহের সময় ঘূর্ণিঝড় রেমাল আঘাত হানায় বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল সাতক্ষীরার উপকুলীয় জনপদ। তবে, উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনিতে জোয়ারের পানিত বেঁড়িবাধ উপচে অর্ধশতাধিক মৎস্য ঘের প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড় উপকুলীয় এলাকায় বেশ কিছু কাঁচা ঘর বাড়িও ধসে গেছে। এছাড়া সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জ সড়ক একাধিক পয়েন্টে গাছগাছালি ভেঙ্গে পড়ায় সড়ক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা ভেঙ্গে পড়া গাছ গাছালি সরিয়ে ফেলায় ভোর রাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়ে যায়। ঘূর্ণি ঝড়ের প্রভাব উপকুলীয় এলাকাসহ সাতক্ষীরা জেলা শহরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এর আগে রোববার রাত ৯ টার দিকে ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকুলীয় অঞ্চলের মূল ভুখন্ড আঘাত হানে। এসময় সুন্দরবন সংলগ্ন নদনদীতে ছিল ভাটার প্রবাহ। যার কারনে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেঁড়িবাধে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-১ এর নির্বাহি প্রকৌশলী মোঃ সালাহ উদ্দীন জানান, বেঁড়িবাধের দূর্বল পয়েন্টে দিনরাত কাজ করা হয়েছে। যার কারনে এখনও পর্যন্ত বেঁড়িবাধ তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।