
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনরমেন্টল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের প্রভাষক সাধন স্বর্ণকারের নামে প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
https://youtu.be/jD64-HncS3c
উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামবাসীর আয়োজনে সোমবার ১৪ মার্চ) সকাল ১০ টায় তেতুলিয়া বাজারে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচিতে গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

বি,টি জি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল লাচ্চুর সভাপতিত্বে ও প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসক বাবু তপন মন্ডলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকারের পিতা যুগোল কৃষ্ণ স্বর্ণকার, মাতা নীলা রানী সরকার, মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিধান সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, তারালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়াড' আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল আহসান বাবলু, ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান, সমাজসেবক আব্দুল জব্বার গাজী, ডাক্তার শংকর সরকার এস এম আব্দুস সেলিম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার ইনভার মেন্টাল সাইন্স ডিসিপ্লিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত দুটি সাজানো ও ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য তাকে হয়রানি করা এবং সামাজিকভাবে মান সম্মান ক্ষুন্ন করা। বিটি জি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার ৭ জানুয়ারি ২০২২ স্বাক্ষী বিপুল স্বর্ণকারের ভাড়া বাসায় (বাড়ি নং ৬১/৪ শ্মশান ঘাট রোড ছোট বয়রা, থানা সোনাডাঙ্গা) খুলনাতে গমন করে যৌতুক দাবি করেছে এবং নির্যাতনের কথা বলেছে, কিন্তু উক্ত তারিখে সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার খুলনাতে ছিলেন না, এমনকি তার স্ত্রী পূজা স্বর্ণকার ও তার পিতা মাতা খুলনায়ও ছিলেন না। সুতরাং বাদি ও আসামি উভয়পক্ষই যেহেতু খুলনাতে ছিলেন না তাহলে চার নম্বর স্বক্ষীর ভাড়া বাসায় উপস্থিত হওয়ার এবং যৌতুক চাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা । প্রভাষক সাধন চন্দ্র কর্মকার তার স্ত্রী পূজা সম্পর্কে নিজের সংসারে ফিরিয়ে আনতে গত ৬ জানুয়ারি ২০২২ সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়িতে যায়, ৭ জানুয়ারি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তার শ্বশুরবাড়ি স্থায়ী ঠিকানা তেতুলিয়াতে গিয়েছিলেন। স্ত্রীও আর ফিরে আসেননি। সেখানে যৌতুক চাওয়ার মত কোন ঘটনাই ঘটেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সাধন চন্দ্র সরকার এর বিরুদ্ধে দুটি মামলা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যার মূল লক্ষ্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা। সত্যিকার অর্থে সাধন চন্দ্র সরকারের পরিবারের চেয়ে স্ত্রী পূজা স্বর্ণকারের পরিবার অত্যন্ত সচ্ছল এবং মেয়ের বাবা একজন সুদ ব্যবসায়ী, অন্যদিকে সাধন চন্দ্র অত্যন্ত মেধাবী বিনয়ী এবং অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। তার মেধার দ্বারা তিনি রাষ্ট্রপতি পদক এ ভূষিত হয়েছিলেন। এরপর তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হন। তার বিরুদ্ধে শশুর শাশুড়ি ও স্ত্রীর আনীত অভিযোগ যেহেতু মিথ্যা এবং বানোয়াট সে কারণে গ্রামবাসী সাধন চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি সহ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।