
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার এসআইবিএল ব্যাংকের পিছনে ফেন্সিডিলের খালি বোতলের ছড়াছড়িতে টনক নড়েছে প্রশাসনের।
গোয়েন্দা পুলিশ সহ স্থানীয় খোচরদের বরাতে জানাগেছে, এ বিষয় জানতে তাঁদের কে কাজে লাগিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার (তালা-পাটকেলঘাটা) সার্কেল হুমায়ন কবির।জানাগেছে, সোমাবার ৫ এপ্রিল বিকালে লকডাউন কার্যকর করতে অভিযানে আসে প্রশাসনের একটি দল।এ সময় ব্যাংকের পিছনে যেখানে সেখানে পরিত্যক্ত ফেন্সিডিল এর খালি বোতল পড়ে থাকতে দেখেন সহকারি পুলিশ সুপার।এরপর থেকে গভীর নজরদারীতে এ এলাকার সব দোকানপাট সহ চলাচলকারীরা। বিষয়টি তাৎক্ষনাত সীমান্ত নিউজ কার্যালয়ে এসে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিকরা খোঁজখবর নিতে শুরু করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করে। এখানে ৪ টি চায়ের দোকানের মধ্যে ২ টা চায়ের দোকান দুধ চা বিক্রি করে। আর ফেন্সিডিল সেবনকারীদের পছন্দ গাড় চিনি চুক্ত দুধ চা। সেবনকারীরা মাদক ব্যাবসায়ীদের নিকট থেকে ফেন্সিডিল ক্রয় করে এ স্থানে আসে। কেননা অনেকটা নিরিবিলি থাকায় দুর দুরান্ত থেকে এসে ফেন্সিডিল সেবন করে যেখানে সেখানে খালি বোতল ফেলে রেখে যায় সেবনকারীরা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাটকেলঘাটার এক নয়া ফেন্সিডিল বিক্রতার যোগসাজশে অভিনব পন্থায় ফেন্সিডিল বিক্রি হচ্ছে। সহকারি পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মাত্র ২০০ গজ দুরে খুলনা -সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে কলেজ মোড় এলাকার এক দোকানদার মাদকের ব্যবসা শুরু করেছে। তাঁর নাম না জানা গেলেও যে নাম্বারে বিকাশ করে ফেন্সিডিল ক্রয় করতে যায় সে নাম্বারটি যদি বের করতে সক্ষম হয় তবে সকল সুত্রের মুল উৎস্য বেরিয়ে আসবে। এ ছাঁড়া এক চিহ্নিত ভ্রাম্যমাণ ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী বীরদর্পে বাইক চালিয়ে এসে ফেন্সিডিল বিক্রয় করতো। তবে সে গত কয়েকদিন পূর্বে জেলার বাইরে ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার হয়েছে। যে এলাকায় ফেন্সিডিলের খালি বোতল দেখে এতো তোড়জোড়। প্রশ্ন এ সব আবাসিক এলাকায় ফেন্সিডিল কি ভাবে পৌছাই? আর প্রশাসন তা কি একটুও ঢেওয়র করতে পারে না!!