
করোনার টেস্ট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে খুলনা র্যাব- ৬ এর ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে সাহেদ করিম, একজনকে পলাতক ও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সাহা জানান, বুধবার ভোর সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর সীমান্ত ব্রেইলী ব্রীজ এর নীচ থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে হেলিকপ্টার করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রাতেই র্যাব-৬ এর সিপিসি-১ এর ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯৭৮ সালের আর্মস অ্যাক্টের ১৯-এ উপধারা এবং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ এর বি/এ ধারায় দেবহাটা থানায় একটি মামলাটি (৫) করেন। মামলায় সাহেদ করিমকে প্রধান আসামিসহ একজনকে পলাতক ও অজ্ঞাত একজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতারণাসহ নানা অপকর্মের ঘটনায় ইতোপূর্ব প্রতারক সাহেদের বিরুদ্ধে ৫৬টির মতো মামলার সন্ধান পায় আইন-শৃংখলা বাহিনী। যার মধ্যে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ।
সর্বশেষ করোনাভাইরাসের ভুয়া টেস্ট ও জাল সনদ প্রদানের ঘটনায় র্যাবের অভিযানে রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখা সিলগালা করে পুলিশের এই এলিট ফোর্সটি। এরপর মামলা হলে পালিয়ে বেড়াছিল সাহেদ। অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার ভোরে ছদ্মবেশে ভারতে পালানোর চেষ্টার সময় র্যাবের হাতে ধরা পড়েন রিজেন্টের চেয়ারম্যান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শেখ আমিনুর হোসেন
দেশ টাইমস
www.deshtimes24.news.com
Copyright © 2026 DESHTIMES 24. All rights reserved.